
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
ক্যান্সারকে বুড়ো আঙুল দেখালেন ৯৮ বছরের শঙ্করীবালা
ক্যান্সার এমন একটা রোগ, যা ৮ থেকে ৮০, কোনো বয়সকেই ভয় দেখাতে ছাড়ে না। কিন্তু তাতে কী! জীবনের দুরারোগ্য ব্যাধিকে রীতিমতো বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অদম্য জেদ আর বাঁচার পথে জয়ী হলেন ৯৮ বছরের বৃদ্ধা। পূর্ব বর্ধমানের সুহারী গ্রামের বাসিন্দা শঙ্করীবালা দে। ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পড়ে হঠাৎই। রোগ ধরা যখন পড়ল, ততদিনে সারা বুকে ছড়িয়ে গেছে ক্যান্সার। তাঁকে বাঁচানো ছিল ভীষণ শক্ত। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে। প্রয়োজন জরুরি অস্ত্রপচার। ৯৮ বছরের বৃদ্ধাকে অস্ত্রোপচার করা যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। দ্বারস্থ হন এক বেসরকারি হাতপাতালে। দুই ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার করা হল। লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া করে বুকের ওপরে ক্যান্সার আক্রান্ত চামড়া কেটে ওই অংশ সেলাই করেন ডাক্তাররা। এখন সুস্থ শঙ্করীবালা। তাঁর অদম্য জেদ দেখে হতবাক ডাক্তার থেকে পরিবারের লোকজন। কে বলে, ক্যান্সার সকল মানুষকে কেড়ে নেয়! ধৈর্য আর জেদ অনেকখানি জিতিয়ে দিতে পারে। আরও একবার তা প্রমাণ করলেন ৯৮ বছরের শঙ্করীবালা দে।

শৈলেন মান্নার নামে স্টেডিয়ামের নামকরণ করবে রাজ্য সরকার
হাওড়া জেলার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের আমূল সংস্কারের কাজ চলছে। হাওড়া পুরনিগমের উদ্যোগে এবং রাজ্য ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় ঝাঁ চকচকে হয়ে উঠছে এই স্টেডিয়াম। আন্তর্জাতিক মানের ইন্ডোর স্টেডিয়াম হয়ে উঠবে এটি, এরকমই লক্ষ পশ্চিমবঙ্গে সরকারের। এরই মধ্যে শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হবে প্রয়াত কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার নামে। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্য সরকারের ‘খেলরত্ন’ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান। ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের নতুন নামকরণের জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী।

পুরুলিয়ায় মহিলাদের কর্মসংস্থানে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে স্ট্রবেরি চাষ
এক সময়ে পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ানের নাম হিংসাত্মক কার্যকলাপের জন্য সংবাদপত্রে দেখা যেত মাঝেমধ্যেই। এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। স্ট্রবেরি চাষের জন্য সারা দেশে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে এই জায়গা। সেই স্ট্রবেরি থেকে জ্যাম তৈরি করছেন জেলার বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা। ফলে তাঁদের রোজগারের নতুন একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন তাঁদের তৈরি জ্যাম বাজারজাত করার দায়িত্ব নিয়েছে। রাজ্য জীবন জীবিকা মিশনের আনন্দধারা প্রকল্পের মাধ্যমে বিপণীর ব্যবস্থা করা হয়েছে জেলা প্রশাসনিক ভবনেই। বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা এইসব বিপণীতে পসরা সাজিয়ে বসেছেন। স্ট্রবেরির জ্যামও সেখানে স্থান পেয়েছে। অন্যন্য জেলাতেও সেইসব স্ট্রবেরি এবং জ্যাম রপ্তানি হচ্ছে।

নববর্ষে সম্প্রীতির ডাক শিল্প-সাহিত্য মহলে
চরম উদ্দীপনা নিয়ে বাংলাদেশে পালিত হয় বাংলা নববর্ষ। সেই ধারা মেনে পশ্চিমবঙ্গেও নতুনভাবে পালন করা হোক নববর্ষ। অবনীন্দ্র সভাগৃহে শুক্রবার একটি আলোচনায় এমনটাই জানানো হল নববর্ষ উৎসব উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে। এদিন আলোচনা সভার অন্যতম মুখ ছিলেন সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এবং সুরকার/ সংগীত নির্দেশক কল্যাণ সেন বরাট। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, বাংলা ভাষা আজ কোণঠাসা। অনেকেই বাংলা ভাষাকে তেমন গুরুত্ব দেন না। ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব পালন করতে হবে অবশ্যই, তবে তা করতে হবে হৃদয় থেকে। কল্যাণ সেন বরাট বলেন, আমাদের চিৎকার করে বলতে হবে আমরা বাঙালি এবং আমরা সংস্কৃতিকে বিশ্বাস করি। যারা এখানে আঘাত করবে, তাদের কাউকেই ছেড়ে দেওয়া হবে না। পয়লা বৈশাখ কলকাতার মোহরকুঞ্জে ‘বৈশাখী উৎসব’ নামে একটি অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।
