১২ দিনে সহ্যাদ্রি পর্বতের ৬০০ কিলোমিটার দৌড়লেন এই বঙ্গসন্তান

পেশায় তিনি মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক

পেশায় তিনি মেঘনাদ সাহা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক। আর পাহাড়ি পথে দৌড়নো তাঁর নেশা। সেই নেশার টানেই সহ্যাদ্রি পর্বতমালার ৬০০ কিলোমিটার পথ দৌড়ে পার হলেন। দেশের তাবড় পর্বতারোহীদের নজর এখন কলকাতার এই যুবকের দিকে। 

পাহাড়ের গায়ে পাকা রাস্তার বদলে উঁচু নিচু প্রকৃতির মধ্যে মাইলের পর মাইল দৌড়নোর খেলাকে বলে ট্রেল রানিং। বাঘাযতীনের বাসিন্দা অভিষেক তুঙ্গ গত কয়েক বছর ধরে ট্রেল রানিং-এর বেশ কিছু অভিযানে গিয়েছেন। এবারের শীতেও সেই নেশায় তিনি বেরিয়ে পড়েছিলেন সহ্যাদ্রি পর্বতমালার অভিমুখে। গত ২৩ নভেম্বর গুজরাটের নবপুর থেকে দৌড় শুরু করেন। সঙ্গে ছিল ৫ কিলোগ্রামের মতো ওজনের ব্যাগ। 

ম্যাপ দেখে নিজের মতো করে রুট বানিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। রাত কখনও পাহাড়ের ওপরে মন্দিরে কেটেছে, কখনও জঙ্গলে ঘেরা গ্রামে, কখনও বা গুহায়। খিদের জন্য এনার্জি বার ছিল। ঝর্নার জল খেয়েছেন, আবার ফাঁকা বোতল নিয়েই ছুটেছেন টানা দু’দিন। এভাবেই প্রায় ৬০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ১২ দিন পর ৩ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের লোনাভালায় যাত্রা শেষ করেন ২৯ বছরের এই যুবক। 

তাঁর এই কৃতিত্বে গর্বিত সারা বাংলা। ‘সোনারপুর আরোহী’ নামের এক অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস ক্লাব তাঁকে বছরের ‘মোস্ট প্রমিসিং মাউন্টেনিয়ার’ পদকপ্রাপক বলে ঘোষণা করেছে। অতীতে এই পদক লাভ করেছেন বসন্ত সিংহরায়, দেবাশীষ বিশ্বাস, দেবরাজ দত্ত, মলয় মুখোপাধ্যায়ের মতো ব্যক্তিত্বরা। 

ছবি ঋণ- ফেসবুক 

 

Developed by DXDasia