
কেউ কেউ অবশ্য বলতে থাকেন, বাঘ নয়, বেরিয়েছে বাঁদর
রাজ্যের এক মন্ত্রীর বাড়ির পাশে নাকি বাঘ দেখা গিয়েছে। বাঘ এসে নাকি জলও খেয়ে গিয়েছে। এই গুজব ঘিরে মঙ্গলবার সকাল থেকে শিলিগুড়ি কলেজপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দেয়। যদিও দুপুর গড়িয়ে গেলেও বাঘের দেখা মেলেনি। কেউ কেউ অবশ্য বলতে থাকেন, বাঘ নয়, বাঁদর বেরিয়েছে।
পাহাড়ে বনধ চলছে। অনেকের খাবার নেই। খাদ্যসঙ্কট নাকি বনেও। তাই বন থেকে বন্যপ্রাণী লোকালয়ে বেরিয়ে আসছে। তবে ঘন জনবসতিপূর্ণ শিলিগুড়ি কলেজপাড়ায়, তাও আবার মন্ত্রী গৌতম দেবের বাড়ির পাশে বাঘ দেখা দেবে তা কেউ ভাবতে পারছেন না। গুজব হল, একটি চিতাবাঘ নাকি সোমবার রাতে ওই এলাকায় দেখা গিয়েছে। কলেজপাড়ার এক বাড়ির কেয়ারটেকার জানান, রাত আড়াইতে নাগাদ বাড়ির বাইরে হঠাৎ বেরিয়ে তিনি বাঘ দেখতে পান। সেই বাঘটি নর্দমার জল খাচ্ছিল। সেই বাড়ির কেয়ারটেকার তখন ভয়ে ঘরে ঢুকে পড়েন। তাঁর কথায়, বাঘটি শব্দ পেয়ে প্রাচীর টপকে চলে যায়। সকালে কেয়ারটেকার সকলকে এই নিয়ে বলাবলি শুরু করলে হইচই শুরু হয়ে যায়। ওই সময় কুকুরও চিৎকার শুরু করে। খবরটি পুরসভার ওয়ার্ড কমিটি এবং বন দপ্তরের কাছেও যায়। চলে আসেন বন দপ্তরের অফিসারেরা। দেখা যায়, এলাকায় বাঘের থাবার মতো কিছু কাদার চিহ্ন রয়েছে। একটি প্রকৃতিপ্রেমী সংস্থার তরফেও লোকজন সেখানে আসেন। কিন্তু বাঘের সন্ধান মেলেনি। অনেকে বলতে থাকেন, বাঘ নয়, এসেছে বাঁদর। কিন্তু বাঘ বা বাঁদর কোনওটাই ধরতে পারেনি বন দপ্তর। অনেকে বলতে থাকেন, পুরো বিষয়টাই গুজব। যদিও কয়েকবছর আগে শিলিগুড়ি হাকিমপাড়ার একটি বাড়ি থেকে চিতাবাঘ ধরা পড়েছিল। তবে বাঘের সন্ধানে এদিন দুপুর পর্যন্ত অনেকেই উৎসাহ নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। যদিও বিফল হন সবাই।
