
দিনযাপনে বাছাই চার
ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলছেন শিলিগুড়ির এই মেয়ে
ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের হয়ে টি২০ বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন বাংলার মেয়ে রিচা ঘোষ। ১৬ বছর বয়সী রিচার বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ শিলিগুড়ির একজন প্রাক্তন ক্রিকেটার ও সিএবির নথিভুক্ত আম্পায়ার। বাবার হাত ধরেই ক্রিকেটের জগতে পার রেখেছেন রিচা। শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদের হয়ে খেলে রাজ্য স্তরে পৌঁছেছিলেন তিনি। রবিবার ভারতীয় মহিলাদের টি২০ বিশ্বকাপের টিম ঘোষণা করা হয়। সেখানে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে স্মৃতি মন্ধনা, অরুন্ধতী রেড্ডি, দীপ্তি শর্মা, হরলিন দেওল, পুনম যাদব, তানিয়া ভাটিয়া, রাধা যাদব, পূজা বস্ত্রকর, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড, শেফালী বর্মা, জেমাইমা রদ্রিগেজ, বেদা কৃষ্ণমূর্তি এবং শিখা পাণ্ডের সঙ্গে রয়েছেন শিলিগুড়ির রিচা ঘোষও। টুইট করে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ছবিসূত্র-ফেসবুক

ফের অঙ্গদান, গ্রিন করিডরের মাধ্যমে মৃতের লিভারে প্রাণ ফিরে এল অন্য রোগীর
কলকাতায় ফের অঙ্গদানের নজির। পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা স্বপন হাজরা বৃহস্পতিবার এক পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হন। তড়িঘড়ি তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রথমদিকে জট কাটলেও অবস্থার অবনতি হয়। অবশেষে শনিবার মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্র পরিবারের সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেন অঙ্গদানের। এগিয়ে আসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর মৃতের হার্ট পাঠানো হয় অন্য বিভাগে। প্রায় চল্লিশ মিনিট পর কিডনি দুটিও পাঠানো হয় ওপর একটি বিভাগে। মৃতের লিভার গ্রিন করিডরে মা উড়ালপুল দিয়ে পাঠানো হয় বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন এক রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হবে স্বপনবাবুর লিভার। প্রসঙ্গত, শহরে অঙ্গদানের ঘটনা এই প্রথমবার নয়। এর আগেও মৃতের অঙ্গদানের জন্য অনেকেই জীবন ফিরে পেয়েছেন। এক্ষেত্রে গ্রিন করিডর বিশেষ ভূমিকা পালন করে এসেছে।

গঙ্গাসাগর মেলার ইতিহাসে প্রথমবার সফলভাবে ব্যবহৃত হল এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স
এবারের গঙ্গাসাগর মেলায় ঘটল এক নজিরবিহীন ঘটনা। মেলা প্রাঙ্গনে দু’জন পুণ্যার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে। মেলার ইতিহাসে প্রথমবার। হাওড়ার জেলার আমতার বাসিন্দা বিকাশ বেজ এবং অসমের বাসিন্দা অনিমা দাস রবিবার আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আকাশপথে তাঁদের নিজে যাওয়া হয় সাগর হাসপাতালে। বিকাশবাবু হাইপোথারমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁকে চিকিৎসার জন্য সাগর হাসপাতাল থেকে জন্য হাওড়ার এক হাসপাতালে পাঠানো হয়। অনিমাদেবী হাঁপানিতে ভুগছিলেন, তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। দু’জনেরই এখন চিকিৎসা চলছে। গঙ্গাসাগর মেলায় দর্শনার্থীরা যাতে কোনো অসুবিধের শিকার না হন, তার জন্য সজাগ রয়েছে প্রশাসন। হাসপাতালগুলিকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আগামিকাল থেকে শুরু হচ্ছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী জয়দেব মেলা
১৪ জানুয়ারি, মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জয়দেব মেলা। বুধবার মকরসংক্রান্তি তিথিতে পুণ্যস্নানের মাধ্যমে জয়দেব মেলায় প্রচুর পুণ্যার্থীর সমাগম হবে। সেই উপলক্ষে ইলামবাজারের জয়দেব কেঁদুলিতে অজয় নদের ধারে মেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে। একাধিক কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে। শব্দ দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি প্লাস্টিক মুক্ত পরিবেশ রাখার চেষ্টা চালানো হবে। রাজা লক্ষণ সেনের সভাকবি জয়দেব এই মেলার সূচনা করেন। যিনি রচনা করেছিলেন ‘গীতগোবিন্দ’ কাব্য। বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর সূচনা জয়দেবের গীতগোবিন্দ পদাবলীর হাত ধরেই। ধীরে ধীরে জয়দেব কেঁদুলির মেলা বিখ্যাত হয়ে উঠেছে বাউল ফকিরদের আখড়া ও গানের জন্য। এবছর প্রায় ৫৫০টি স্টল হচ্ছে। থাকবে ২৫০টি বাউলদের আখড়া। মেলা চলবে ১৪-১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
