
ঘাটাল থেকে উদ্ধার করা হল ২৮ জনকে
আজ সারা দিন ধরে চলছে উদ্ধার কার্য। চপার হেলিকপ্টরে ঘাটাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এখনও পর্যন্ত ২৮ জনকে। স্থলপথ, জলপথে ও আকাশ পথে চলছে ত্রাণ পাঠানোর কাজ। ডিভিসির তরফে জানানো হয়েছে, বৃষ্টি না হওয়ার জন্য জল ছাড়া হয়েছে অনেক কম। নবান্নসূত্রে খবর, রাজ্যে এই মুহূর্তে বন্যায় দুর্গত মানুষের সংখ্যা ২২,৩৭,৮৪৯। মোট ২০৭টি ত্রাণ শিবিরে প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বহু জায়গায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
সরাকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ১৩টি ব্লক। তার মধ্যে হাওড়ার ২টি, হুগলির ৬টি, বাঁকুড়ার ৪টি, বর্ধমানে একটি। বন্যাগ্রস্থ এলাকাগুলির যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছেনা। কারণ,অনেক রাস্তা জলেরতলায়, জলে অনেক বাধ ভেঙে গেছে এবং মোবাইল টাওয়ার ও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই গ্রামগুলিতে। দামোদর, রূপনারায়ণ, দ্বারকেশ্বর, মুণ্ডেশ্বরী নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় আরামবাগ মহকুমার বিভিন্ন জায়গা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। খানাকুলের ধান্যগোড়িতে ২০১৫ সালে ভেঙে যাওয়া বাঁধ সারাই করা হলেও তার পাশে থেকেই আবার ভেঙে গেছে বাঁধ। আর সেখান থেকে জল ঢুকছে গ্রামে। শুক্রবার সকালে ডিভিসির জল ছাড়ায় হাওড়ার থলিয়া, বিনলাকৃষ্ণবাটী, আমতার ২ নম্বর ব্লক, ভাটোরা, ঘোড়াবেড়িয়া-চিৎনান গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি দ্বীপ সহ বিস্তৃত এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এখানে ১৫টি ত্রাণ শিবিরে কমপক্ষে পনেরোশো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
