
ভিআইপি গাড়ির ‘রক্তচক্ষু’ ‘উপরে’ নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা
এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ব্যবহার না করলে কী হবে। অনেক কাউন্সিলর মায় পঞ্চায়েত প্রধানের বল প্রদর্শনের বড় অবলম্বন ছিল সে। আর গো-বলয়ের নেতাদের শক্তি অনেকটাই নির্ভর করতো তার ওপর। সাধারণ মানুষকে রাস্তায় ব্যোমকে দিয়ে, অ্যাম্বুলেন্সকে আটকে, ট্রাফিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিব্যি রাজ করছিল সে। বারবার এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ করতে সুপারিশ করা হলেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। সাধারণতন্ত্রে ‘অ-সাধারারণ’-এর অস্তিত্ব জানান দিতে তার জুরি মেলা ভার। কিন্তু এবার ভিআইপিদের ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য ভিন্ন উপায় অবলম্বন ছাড়া আর গতি কী। গতির সফরে ট্রাফিকের সামান্য বাদসাধাকে আর রক্তচক্ষু দেখানোরই যে উপায় রইল না। সেই চোখ ‘উপরে’ নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা।জানিয়ে দিল, পয়লা মে থেকে দেশের কেউই আর লালবাতি লাগানো গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন না। অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি পরিষেবার জন্য বহাল রইল নীল বাতি। পয়লা মে, দিনটাও খুন শুভদিন, তাই না?
লাল বাতির ‘সাম্রাজ্যবাদ’ কী এতদিন টিকিয়ে রাখার খুব দরকার ছিল? জানান আপনার খোলামেলা মতামত।
