ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানে বঙ্গদর্শনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন তিনি

ক্ষুদ্র-মস্ত অদেখা-দেখা
শূন্যই থাকে ঘিরে,
শূন্য হতে আসে সবই
শূন্যেতে যায় ফিরে।।

মাত্র চারদিন আগেই ফেসবুকে এই চার লাইন পোস্ট করেছিলেন তিনি। তবে কি আগাম আভাস পেয়েছিলেন মৃত্যুর? শূন্য থেকে শূন্যে এই যাতায়াতের মধ্যে যতটুকু জীবন, ফুরিয়ে গেল। অথবা, হয়তো ফুরায় না কিছুই; অনন্তে ভেসে থাকে চিরকাল। আমরা কীই বা হদিশ পাই!

রাসেল আহমেদ। বরিশালের এই মানুষটি চল্লিশের কোঠায় পৌঁছোননি এখনও। ভারত-বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানে বঙ্গদর্শনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন তিনি। চলে গেলেন অকালে। সোমবার রাত্রিবেলা মৃত্যু এসে কেড়ে নিল তাঁর প্রাণ। মৃত্যুর কোনও বয়স হয় না। কিন্তু জীবনেরও তো সীমা নেই কোনও! বিচার করবে কে?

রাসেল আহমেদ একজন সিনেমা পরিচালক। তাঁর প্রথম ছবি ‘নৃ’ বলেছে মানুষের কথা। মাটির কথা। অথচ সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার আগেই চলে গেলেন তিনি।

বঙ্গদর্শন-এর পক্ষ থেকে তাঁকে শ্রদ্ধা…

Developed by DXDasia