
রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কিত অংশ ইংরাজি পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছে তারা
এবার রাষ্ট্রীয় স্বেচ্ছাসেবক সঙ্ঘের বিষনজরে পড়লেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। সঙ্ঘের ঘনিষ্ঠ শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাস-র মতে, আজকের দিনে রবীন্দ্রনাথ অপ্রাসঙ্গিক। জাতীয়তাবাদী মনোভাবের সঙ্গে রবীন্দ্রচেতনা খাপ খায় না কিছুতেই। তাই, রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কিত অংশ ইংরাজি পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছে তারা। ন্যাস প্রধান দীননাথ বাত্রা এনসিআরটি-কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথ ছাড়াও মির্জা গালিব, বামপন্থী পাঞ্জাবি কবি পাশ, চিত্রকর মকবুল ফিদা হুসেন প্রমুখের লেখা পাঠ্যপুস্তকের বাইরে রাখতে। পাশাপাশি, পড়ুয়ারা যাতে বিশুদ্ধ হিন্দি শেখে সে-জন্য পাঠ্যপুস্তক থেকে সমস্ত উর্দু, ইংরাজি এবং আরবি শব্দ বাদ দেওয়ার প্রস্তাবও রেখেছেন তিনি। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বইতে রয়েছে ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার কথা। দীননাথের মত অনুযায়ী, বাচ্চাদের দাঙ্গার সম্পর্কে না পড়িয়ে রাণাপ্রতাপ, শিবাজী কিংবা বিবেকানন্দের মতো মহাপুরুষদের কথা পড়ানো উচিৎ।
দীননাথের এই প্রস্তাব-কে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে গোটা দেশ জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায় দিল্লিতে এই ঘটনার নিন্দায় সরব হন। পাশাপাশি, শিক্ষাব্যবস্থাকে সঙ্ঘ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে চাইছে; এর প্রতিবাদে মুখর হন বিশিষ্টজন থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই।
তবে, কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভেরকর এদিন রাজ্যসভায় জানান, স্কুলের পাঠ্যপুস্তক থেকে রবীন্দ্রনাথকে মুছে ফেলার কোনও পরিকল্পনা সরকারের নেই।
