
পুজোয় লাভের আশা দেখছেন না তাঁরা
২৯ আগস্ট নবান্নে শান্তি বৈঠকের পর পাহাড় খুলে গেলেও পুজো পর্যটনে এই সময় বিশেষ কোনও উন্নতির লক্ষণ দেখছেন না উত্তরবঙ্গের ভ্রমণ ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, এখন পাহাড় খুললেও পুজো পর্যটনে বিশেষ কোনও লাভ হবে না। নর্থবেঙ্গল ট্যুরিজমের তরফে সোমা ভট্টাচার্য জানালেন, ২৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন করে পাহাড়ে সূর্য উঠবে। সকলের কাছে তাঁদের আবেদন, উত্তরবঙ্গের হাজার হাজার ট্যুর অপারেটরের স্বার্থে পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসুক। এখন পাহাড় খুললে তাঁরা কুড়ি শতাংশ ছাড় দিয়ে পর্যটকদের কিছু কিছু স্থান ভ্রমণ করাতে পারবেন। যদিও কিছুদিন ধরে শিলিগুড়ির পর্যটন ব্যবসা তলানিতে ঠেকেছে বলে জানান তিনি। নর্থবেঙ্গল ট্যুরিজমের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, চিনের সঙ্গে যুদ্ধ লাগতে পারে ভেবে অনেকে ভুটানেও আসতে চাইছেন না। যেতে চাইছেন না নাথুলা। এর মধ্যে বন্ধ রেল যোগাযোগ। তারপর জিএসটি লাগু হয়েছে। এতে তাঁদের অবস্থা করুণ। ডুয়ার্সে তাঁদের পুজো বুকিং এবারে মাত্র ৪০ শতাংশ করা যাচ্ছে। আর পাহাড় বনধ থাকায় এবারে উত্তরবঙ্গের মানুষ পুজোর ছুটিতে বেশি করে দীঘা যাচ্ছেন। বিশিষ্ট ভ্রমণ ব্যবসায়ী সম্রাট সান্যাল জানান, ২৯ তারিখের শান্তি বৈঠকের পরও পাহাড় না খুললে তাঁদের কোমর একেবারে ভেঙে যাবে। জুনে বনধ শুরু হওয়ার পর তাঁদের পর্যটনে ১১৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। ভ্রমণ ব্যবসায়ী বাপন মণ্ডলের মতে, ৯০ শতাংশ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে তাঁরা। এখন পাহাড় খুললে মাত্র ৫ শতাংশ পুজোর ব্যাবসা হতে পারে।
