
দিনযাপনে বাছাই চার
আজ ২০৩ বছরে পা দিল প্রেসিডেন্সি
আজ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন। ১৮১৭ সালে আজকের দিনে ‘হিন্দু কলেজ’ নামে এই প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করেছিল। তখনকার হিন্দু ভদ্রসন্তানদের ইংরেজি ভাষা ও পাশ্চাত্য জ্ঞানবিজ্ঞানে শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যে স্থাপিত হয়েছিল এই কলেজ। ১৮৫৫ সালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নাম বদলিয়ে ‘প্রেসিডেন্সি কলেজ’ রাখা হয়। স্বামী বিবেকানন্দ, সুভাষচন্দ্র বসু, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, মেঘনাদ সাহা, অমর্ত্য সেন, গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বেশ কয়েকজন বিশ্ববন্দিত মানুষ এখানে পড়াশোনা করেছেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং স্বাধীনতার পর ছাত্র আন্দোলনে অবদান রেখেছেন এখানকারের পড়ুয়ারা। বহু কৃতি রাজনীতিক প্রেসিডেন্সির ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছেন। ২০১০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা পায় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
ছবিঋণ – প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট

গ্রীষ্মের কলকাতায় আরও শীতল হচ্ছে ‘লাইফ লাইন’
দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে যাত্রীদের কথা মেনে সেই দাবি পূরণ করতে চলেছে কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বহুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল কেন এসি রেকের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে না। মেট্রো রেল সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই পাতাল পথে এসি ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে অনেকটাই। ডিসেম্বরে যেখানে মোট ট্রেনের ৬৯ শতাংশ এসি ট্রেন চালানো হয়েছিল, সেখানে চলতি মাসে এখনও পর্যন্ত এসি ট্রেন চলেছে ৮০ শতাংশ! আগামী মার্চের মধ্যে আরও তিনটি এসি রেক যাত্রী পরিষেবায় নামতে চলেছে। তাতে গরমে এসি ট্রেনের সংখ্যা আরও তিন-চার শতাংশ বাড়তে চলেছে। কলকাতা মেট্রো হল এই শহরের লাইফ লাইন। গ্রীষ্মের তুখোড় দাবদাহ থেকে শান্তিতে যাতায়াত করার জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে এখনও বহু যাত্রী বলছেন, কলকাতার মতো ব্যস্ততম রাজধানী শহরে কেন রাত্রে আরও কিছুক্ষণ মেট্রো চলবে না! রাত ১০টার মধ্যে মেট্রো বন্ধ হয়ে যাবার কারণে অনেক অফিস ফেরত যাত্রীকেই নানারকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

নিউ টাউনে গড়ে উঠছে মিনি চিড়িয়াখানা
নিউ টাউনের হরিণালয়কে এবার মিনি চিড়িয়াখানায় রূপান্তরিত করা হবে। হরিণালয়কে দর্শকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য বন দপ্তর। কেন্দ্রের নীতিগত সম্মতি মিলেছে ইতিমধ্যেই। এখন ১০ একর জমিতে হরিণালয় রয়েছে। কেন্দ্র চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে রাজ্য সরকারের কাছে আরও ১০ একর জমি দেওয়ার আবেদন জানানো হবে। বন দপ্তর আগামী অর্থবর্ষেই মিনি চিড়িয়াখানা বানানোর কাজ শুরু করতে চায়। হরিণের পাশাপাশি জিরাফ, জেব্রা, ময়ূর, জলহস্তি, নীল গাইয়ের মতো বেশ কিছু স্তন্যপায়ী প্রাণীর এবং নানা রকম পাখির দেখা মিলবে এই মিনি জু’তে। থাকতে পারে কুমিরও।

সংখ্যালঘু মেধাবী-দুঃস্থ পড়ুয়াদের জন্য ৬০০ কোটি টাকার ‘ঐক্যশ্রী’ প্রকল্প
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শুরু হচ্ছে আবারও একটি বড়োসড়ো প্রকল্প ‘ঐক্যশ্রী’। এই ঐক্যশ্রী প্রকল্পতে প্রায় সাড়ে ৪৬ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। এই রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত এই প্রকল্প শুরু হয়েছে চলতি বছর থেকেই। এর আগে নানারকম প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছিল লক্ষাধিক গরিব পরিবার। তাই রাজ্যের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার এই ঐক্যশ্রী প্রকল্প। প্রকল্পের উদ্দেশ্য, সংখ্যালঘু মেধাবী-দুঃস্থ পড়ুয়ারা যাতে পড়াশোনা নিয়মিত চালিয়ে যেতে পারে। এই প্রকল্পে সাড়া দিয়েছে রাজ্যের প্রায় সকল স্তরের মানুষ।
