
চলবে ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। তার ওপর শীতকাল হলে তো কথাই নেই। গতকাল থেকে বড়োদিনের উৎসবও শুরু হয়ে গেছে। তাহলে সংশোধনাগারের আবাসিকরাও বাদ যাবেন কেন? আজ ২২ ডিসেম্বর এবং আগামীকাল ২৩ ডিসেম্বর দুদিন ধরে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের মাঠে চলছে উইন্টার কার্নিভাল। সেখানে মেলার মতো স্টল দেবেন সংশোধনাগারের আবাসিকরা, দেখেশুনে পছন্দের জিনিস কিনতে পারবেন সাধারণ মানুষ।
বন্দিকল্যাণ তহবিল থেকে এই কার্নিভালের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। আবার বিক্রিবাট্টার পর যে টাকা উঠবে, সেটাও ওই তহবিলেই ফিরে যাবে। সব মিলিয়ে স্টল থাকবে ১২টি। প্রেসিডেন্সির আবাসিকরা ছাড়াও আলিপুর, বহরমপুর, দমদম, মেদিনীপুর সংশোধনাদের বন্দিরাও নিজেদের পসরা সাজিয়ে বসবেন। পাওয়া যাবে প্রেসিডেন্সি আর্ট ফোরামের রঞ্জন কর্মকার, আকাশ আলিদের বুটিকের কাজ। আলিপুর সংশোধনাগারে তৈরি জিন্সের প্যান্টও থাকবে। দমদমের আবাসিকদের বানানো পাটের ফাইল, ফোল্ডার, ব্যাগও এখান থেকে পাওয়া যাবে। থাকছে বহরমপুরের গামছা, মেদিনীপুরের চাদর। কেক-পেস্ট্রি, চপ-কাটলেট, মোগলাই-বিবিয়ানির ব্যবস্থাও থাকছে এই কার্নিভালে। পাশাপাশি রয়েছে বিনোদনের আয়োজন। থাকবে শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়ের গান, মঞ্চস্থ হবে নাটকও। এই ধরনের আনন্দ উৎসব সংশোধনাগারের আবাসিকদের একঘেয়ে জীবনে স্বাদ বদলের সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরতে সাহায্য করবে বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।
এর আগেও প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের আবাসিকরা নিজেদের তৈরি জিনিস বিক্রির সুযোগ পেয়েছেন। তবে সে আয়োজন ছিল আকারে বেশ ছোটো। সেই তুলনায় এবছর অনেকটা বড়োসড়ো আকারেই কার্নিভাল বসছে।
