
আশার আলো দেখছেন কুমোরপাড়ার মৃৎশিল্পীরা
প্লাস্টিক ও ক্যারিব্যাগ ব্যবহার অশনি সংকেত ডেকে আনছে সারা বিশ্বে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা এই সতর্কবার্তা দিতেই সিঙ্গল ইউজ প্লাস্টিক ও ক্যারিব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা শুরু করেছেন। যার ফলে আশার আলো দেখছেন মৃৎশিল্পীরা। কুমোরপাড়াগুলিতে আবার শুরু হয়েছে ব্যস্ততা। চায়ের কাপ, জলের গ্লাস, সরা, মিষ্টির হাঁড়ি তৈরির বরাত আসতে শুরু করেছে। প্লাস্টিক এবং পলিথিনের ব্যবহার পরিবেশের সঙ্গে মানব সভ্যতাকে বিপন্ন করে তুলেছিল। সরকারিভাবে ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা হওয়ায় একদিকে পরিবেশ যেমন দূষণমুক্ত হবে ঠিক তেমনই বাংলার প্রাচীন কুটিরশিল্পের হাল ফিরবে। জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত হবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষের।
দু’দশক আগেও গ্রামের হাটে হাটে কিংবা শহরের দোকানে পোড়ামাটির হাঁড়ি, কলসি, কুঁজো, মাটির পাত্র, গ্লাস, চায়ের ভাঁড় বিক্রি হতে দেখা যেত। কুমোরপাড়ায় সারাবছর ধরে তৈরি হত ঘরের প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিসপত্র। রুজি-রোজগারের ভবিষ্যতকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়ে বাজারে চলে আসে সস্তার ক্যারিব্যাগ। আসে প্লাস্টিকের পাত্র বা কন্টেনার। ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ ঘোষণা হওয়ার জন্য মাটির দিকে ঝুঁকছেন বাঙালি। বাংলা তার নিজস্ব শিল্পকে ফিরে পাচ্ছে জেনে খুশি বাংলার মৃৎশিল্পীরা।
