জন্মদিনে চুনী গোস্বামীর নামে ডাকটিকিট – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই তিন

জন্মদিনের উপহার! প্রাক্তন ফুটবলার চুনী গোস্বামীর নামে এবার ডাকটিকিট

মান্না দে’র সেই বিখ্যাত গান, “সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল”। এই গান শুনলেই বাঙালি ফুটবলপ্রেমীদের চোখে ভেসে উঠবে চুনী গোস্বামীর নাম। যিনি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত খেলেছেন মোহনবাগানের জুনিয়র দলে। ১৯৬৮ অবধি মোহনবাগানের মূল দলে যোগ দেন। ১৯৬০-৬৪ মোহনবাগানের অধিনায়ক হন। অধিনায়ক হিসাবে ১৯৬২ সালে জাকার্তায় এশিয়ান গেমসের সোনা জয়। ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়াকে ২-১ গোলে পরাস্ত করেছিল ভারত। চুনী গোস্বামীর আসল নাম সুবিমল গোস্বামী। খেলার জগতে তাঁকে প্রত্যেকে চুনী নামেই চিনতেন। তাঁর সারাটা জীবন জুড়ে রয়ে গেছে ফুটবল। আজ চুনী গোস্বামীর ৮২তম জন্মদিন। আর এইদিন আরও একটি সুসংবাদ দিচ্ছে ভারতীয় ডাকবিভাগ। চুনী গোস্বামী হতে চলেছেন প্রথম ভারতীয় ফুটবলার, যাঁর নামে পোস্টেজ স্ট্যাম্প হচ্ছে। শচীন তেণ্ডুলকরের পরেই রয়েছে চুনী গোস্বামীর নাম। ডাকবিভাগের এমন উপহারে বেজায় খুশি চুনী গোস্বামী-সহ তাঁর পরিবার। এই দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে। শুভ জন্মদিন স্যার!

তরুণদের ফটোগ্রাফি নিয়ে প্রদর্শনী চলছে কলকাতায়, হাজির থাকছেন হিরণ মিত্র

তরুণ ফটোগ্রাফারদের কাজে ফুটে ওঠে নতুন অনেক সম্ভাবনা। কলেজ স্ট্রিট কফি হাউজের তিন তলায় বইচিত্র সভাঘরে চলছে তারই প্রদর্শনী। মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় ‘চিত্রকথা’ নামের এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার অতনু পাল। প্রবীণ আলোকচিত্রী জয়দীপ মিত্র, বিশিষ্ট শিল্পী হিরণ মিত্র আজ সন্ধেবেলা হাজির থাকবেন এখানে। প্রদর্শনী চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এই ক'দিন বিকেল ৪টের থেকে রাত ৮টা অবধি দর্শকরা গিয়ে দেখছেন সাত জন ফটোগ্রাফারের কাজ। জীবনে এমন কিছু চরিত্ররা থাকে, যারা ঘুরে ফিরে আসে ছবির মধ্যে দিয়ে, কখনো তা মুখোশের আড়ালে বিমূর্ত স্থির অবয়ব হয়েও ফ্রেমে ধরা পড়ে। শহুরে জীবনের ছবি, সমাজের লেন্সবন্দি টুকরো টুকরো মুহূর্ত, প্রকৃতির সৌন্দর্য সবই ছবির মধ্যে দিয়ে এসেছে প্রদর্শনীতে সাদা-কালো ও রঙের মিশেলে।

“এসো পৌষ যেও না… জন্ম জন্ম থেকো” – পৌষবুড়িকে ঘিরে মেতে উঠল পূর্ব বর্ধমান

কাটোয়া, কেতুগ্রাম, পূর্বস্থলী, কালনা, মঙ্গলকোট, মন্তেশ্বরের দরজায় দরজায় কড়া নাড়ছে পৌষবুড়ি। পৌষবুড়ি অর্থাৎ পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষি অঞ্চলের লক্ষ্মী দেবতা। পৌষ সংক্রান্তির আগের দিন ঘরে ঘরে পৌষবুড়ি উৎসবের রীতি আছে। এঁটেল মাটি আর ইট দিয়ে তৈরি কড়া হয় আদুরে পৌষবুড়িকে, যার জন্য কোনো মৃৎশিল্পীর প্রয়োজন হয় না। বাড়ির শিশুরা বড়োদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে। মূর্তিতে কোনও পোশাক থাকে না, থাকে না অলংকারও। চিৎ হয়ে শুয়ে থাকেন দরজায় দরজায়। আর এই পৌষবুড়িদের দেখতেই ভিড় লেগে যায় পূর্ব বর্ধমানের কৃষি অঞ্চলগুলিতে। পৌষবুড়ির হাঁ মুখে গুঁজে দেওয়া হয় পিঠে-পুলি। সন্ধেবেলায় গৃহবধূরা শাঁখ বাজিয়ে উলুধ্বনি দিয়ে আতপ চাল, সরষে ফুল দিয়ে সাজিয়ে দরজায় দরজায় গেয়ে ওঠেন, “এসো পৌষ যেও না/ বড়ো ঘরের মেঝেয় বোসো/ জন্ম জন্ম থেকো।” এগুলোই বাংলার নিজস্ব সম্পদ।
Developed by DXDasia