
বঙ্গদর্শনের গ্যালারি। অভিষেক ঝা-র সাতটি ফ্রেমের ছবিমহল
গুলিয়ে যাচ্ছে সময়। ঘেঁটে যাচ্ছে আমাদের চারপাশের অবস্থান। কে কোথায়! শূন্য শুধু শূন্য মনে হয়। হাওয়ায় দুলে উঠছে সাঁকো। বন্ধুরা পাশাপাশি সাঁকো ধরে হেঁটে চলেছে নিরুদ্দেশে। যাত্রা তাদের অসম্পূর্ণ। ফ্রেমের মধ্যে জাঁকিয়ে বসেছে আমাদের চারপাশের রাজনীতি। আলোকচিত্রী অভিষেক ঝা তাঁর ছবি তোলার রাজনীতিতে স্পেস এবং সময়কালকে যতটা সম্ভব শূন্য করে দিতে চান। খুব সচেতনে এই শূন্যতার অবস্থান। আজকের ছবিমহলে রইল এমনই সব শূন্যতার ছবি। কেউ হাওয়ায় উড়ছে, কেউ হেসে উঠছে প্রিয় কোনো মুহূর্তে, কেউ বা লম্বা রাস্তার ধারে একাকী নিজের সঙ্গে। অভিষেক ঝা’র বাছাই করা কিছু ছবি দিয়েই সাজানো রইল আজকের গ্যালারি।

“জানে না কেউ, তোমাকে মেলে নেপথ্যে/ জানে না কেউ নদীতে ঢেউ ছিল”

“দু’একটা হাঙর খুব কাছে এসেছিল/ আমি মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে মৃত্যুকে পাল্টে দিতে চেয়েছি তখনও”

“দেখা হল, কিন্তু যেন জলের ভেতরে/ দেখা হল, তুমি স্থির ভাসলে অকূলে”

“আবার কখনও তুমি ফিরে আসো জাগরণে/ ফিরে আসো বসতিতে, ঘরবাড়ি তৈরি করো নিজে”

“তবু অন্ধকার রাতে চুপিচুপি সে তার কিশোর শরীর নিয়ে/ চলে এসেছিল এই বনের ভিতরে”

“রাস্তাটা গরম, কিন্তু গাছ-ঘেরা মাঠের ভেতরে গেলে শীত শীত লাগে”

“বুকের বসন ছিন্ন করে এখন/ জাগার পালা ফুলের : জানে ভ্রমর”
ছবি- অভিষেক ঝা
ঋণ- প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত
