আমাদের ব্যস্ত জীবনের হা-হুতাশ অরিত্র দত্তর ছবিতে

বঙ্গদর্শনের গ্যালারি। অরিত্র দত্তর সাতটি ফ্রেমের ছবিমহল…

আমাদের ব্যস্ত নিয়মকানুনের মধ্যে একপ্রকার অচেনার গলি আছে। একা একা হেঁটে যেতে যেতে কত ধুলো গায়ে জমে, ভিড় করে আসে ছেলেবেলার রং। এই শহরের বুকেই যত রং ঢালা—ক্যানভাস তৈরি করে তাতে টুকরো জীবন দেওয়া হচ্ছে। তরুণ আলোকচিত্রী অরিত্র দত্ত ফ্রেমের মধ্যে তুলে আনেন সেই রং। আমাদের ব্যস্ত অভ্যাসের হা-হুতাশ কত কথাই না বলে। অরিত্র ফ্রেমের মধ্যে তাদের যত্ন করেন, রূপ দেন। শহর কলকাতার রোজনামচা উঠে এলো তাঁর ছবিতে। কিছু আপনার চেনা, কিছু অচেনা। এই চেনা-অচেনার সাঁকো ধরেই অরিত্র আপনাদের পাশেপাশে হাঁটে। বঙ্গদর্শনের ‘ছবিমহল’ বিভাগে আজ রইল অরিত্র দত্তর ছবি। 

“বনে বনে ঘনায় যে ছায়া, সে তো বিকেলেরও হতে পারত। রোদ পড়ে আসা ছায়া…” (সেন্ট্রাল, কলকাতা)

 

যে আগুন হতে চেয়েছিল, সে দেখার নদীতে স্নান করবে বলে কথা দিয়েছে… (বাগবাজার, কলকাতা)

 

এপার ওপার ছারখার, মধ্যিখানে আদর… (জানবাজার রাজবাড়ি, কলকাতা)

 

চড়া রোদে যে তোমায় প্রথম ভালোবেসেছিল, তার গায়ে সূর্য লেগে আছে… (শ্যামবাজার, কলকাতা)

 

চেয়ে দেখার যে আরাম, তাকে পলক বলে ডেকো। তার পাশে জুড়ে দিও ডাকনাম। (গিরিশ পার্ক, কলকাতা)

 

যে রং আমাদের একা করেছে, তাকে পিছু ডাকতে নেই। শামুকের মতো চলাই তার নিয়ম। (শ্যামবাজার, কলকাতা)

 

কী মুশকিল কী মুশকিল ঢেউ। তাকে প্রজাপতির ডানা দিও, ঢেউ দিও… (বাগবাজার লঞ্চ ঘাট, কলকাতা)

 

Developed by DXDasia