
নতুন বছরের মাঝামাঝি থেকে আসতে চলেছে বাজারে
দেখতে অনেকটা পুঁটি মাছের কাছাকাছি, তবে ইলিশ কিংবা সিলভার কাপের মতো আঁশ। নাম পেংবা। মণিপুরে রাজ্য মাছের তকমা আছে এটির। তাই একে ‘মণিপুরি ইলিশ’ নামেও ডেকে থাকেন অনেকে। তবে ইলিশের মতো কাঁটা আর তৈলাক্ত ভাব এই মাছে নেই। মিষ্টি জলের এই মাছের স্বাদ যাতে বাঙালিও আস্বাদন করতে পারে, তারজন্য পেংবার চাষ পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছে রাজ্যের মৎস দপ্তর।
নামে মণিপুরি ইলিশ হলেও ধীরে ধীরে ওই রাজ্য থেকেই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে মাছটি। আমাদের রাজ্যে পেংবার চাষ শুরু করা হয়েছে হলদিয়াতে। এই মাছের কৃত্রিম প্রজনন করা হয় ওড়িশায় কেন্দ্রীয় সরকারের মৎস গবেষণাকেন্দ্র সেন্ট্রাল ইন্সটিটিউট অফ ফ্রেশ ওয়াটার অ্যাকোয়াকালচার সেন্টারে। সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গে চারা আসে। দেখা যাচ্ছে, এখানকার পরিবেশে মাছের বৃদ্ধি ভালো হচ্ছে। আলাদা পুকুর নয়, রুই-কাতলার সঙ্গেই চাষ করা হচ্ছে এই মাছের। এরা রুই-কাতলার খাবারই খায়, ফলে বাড়তি কোনো ঝক্কি নেই। আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকেই এই মাছ বাজারে পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের তামাম খাদ্যরসিকদের পাশাপাশি মৎসব্যবসায়ীরাও এই খবরে যথেষ্ঠ খুশি।
মিষ্টি জলের এই মাছ চিন, ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে খুবই জনপ্রিয়। পেংবার বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে জোগান বাড়াতে সরকারি হ্যাচারি তৈরি করবে মৎস দপ্তর।
