
৬১ বছর পরে তিন প্রধান বাদে নতুন চ্যাম্পিয়ন পেতে চলেছে কলকাতা লিগ
ইস্টবেঙ্গল-কাস্টমস ম্যাচে মাঠে ঢুকে এল বানের জল। বানভাসি ইস্টবেঙ্গল মাঠকে বড়ো প্রতীকী মনে হচ্ছিল তখন। এবারে সত্যিই বেহাল অবস্থা ইস্টবেঙ্গল-সহ তিন প্রধানের। আর, ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের বাতিল ঘোড়া ক্রোমার দাপটে জর্জ টেলিগ্রাফকে হারিয়ে লিগজয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল পিয়ারলেস। লিগ জিততে গেলে শেষ ম্যাচে কাস্টমসকে সাত গোলের ব্যবধানে হারাতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। অতি বড়ো ইস্টবেঙ্গল সমর্থকও এই অবস্থায় লিগজয়ের স্বপ্ন দেখছেন না।
লিগ শুরুর আগে অবশ্য এমনটা ঘটতে পারে, ভাবতেই পারেননি কেউ। পিয়ারলেসে বিদেশি হিসেবে এসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানে খেলে যাওয়া ক্রোমা। খেপ খেলেন বলে ময়দানে তাঁর বিশেষ খ্যাতিও আছে। আর ছিলেন অনিল কিস্কু, জিতেন মুর্মু, মনোতোষ চাকলাদার, অরূপ দেবনাথ, দীপেন্দু দুয়ারির মতো একঝাঁক বাঙালি খেলোয়ার। এঁদের দিয়েই ফুল ফুটিয়েছেন কোচ জহর দাস। কোচিং জীবনে এর আগে আই লিগে অবনমন হওয়া আইজলকে ফেডারেশন কাপের ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। এবারেও, শেষ ম্যাচে অঘটন না ঘটলে ৬১ বছর আগে ইস্টার্ন রেলের পর তিন প্রধান বাদে ফের কোনো দল কলকাতা লিগ জিতবে তাঁরই কোচিং-এ। মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি কোচ, স্প্যানিশ খেলোয়ারদের ভিড়ে পিয়ারলেসের গোটা দলই বড়ো সাদামাটা। কিন্তু সাফল্য অন্য কথাই বলছে।
নতুন দলের খেতাব পাওয়া কলকাতার ফুটবলের পক্ষে ভালো খবর। কিন্তু, তিন প্রধানের সমর্থকদের অবশ্য মনখারাপ।
