
অগ্নি-নির্বাপণের ব্যবস্থাও রয়েছে রিকশার মধ্যেই
যাত্রী সেবায় উপস্থিত আছে জল, ডাস্টবিন ব্যবস্থা। শুধু তাই নয়, আহত যাত্রীদের জন্য থাকছে প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণও। এই সব পরিষেবা পাবেন রিকশাতেই। চলে যান শিলিগুড়ি, সুশীল বর্মনের কাছে। তিনিই প্রথম রিকশায় পেটিএম চালু করে বিখ্যাত হয়েছিলেন। এবার তাঁর রিকশায় থাকছে পানীয় জলের লাইন। আর থাকছে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থাও।
শিলিগুড়ি এনজেপি স্টেশনের খানিক দূরে পাইপ লাইনের কাছে থাকেন ৩৩ বছর বয়স্ক সুশীল। পড়াশোনা তাঁর বেশি নেই। অষ্টম শ্রেণী উত্তীর্ণ। এক বছর আগে নোট বাতিলের সময় তাঁর রিকশাতেই পেটিএম চালু করেন। তাঁর রিকশায় চেপে কেউ পেটিএমে ভাড়া দিতে চাইলে তিনি সওয়ারিকে ৮০ শতাংশ ছাড় দেন। তাঁর কথায়, ছাড় দেওয়ার কারণ পেটিএম জনপ্রিয় করে তোলা। তাঁর কথায়, দেশ তখনই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবে যখন মানুষ সেই সম্পর্কে সচেতন হবে। তার জন্য তিনি তাঁর রিকশাতেই ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করেছেন।
আরও পড়ুন
প্রতিবন্ধীদের রোল মডেল বাসাম সোনার
রিকশা চালানোর ফাঁকে অবসর সময় সুশীল এনজেপি স্টেশনে বেসরকারি টুরিজম অফিসে সাফাইয়ের কাজ করেন। যে রিকশা তিনি এখন চালান সেটি তাঁর নয়। অন্য মালিকের। প্রতিদিন কুড়ি টাকা করে কিস্তি দিতে হয়। পেটিএমে ভাড়া কম পান। তবুও তাঁর কথায়, ডিজিটাল ব্যবস্থা জনপ্রিয় করতে এই প্রয়াস। দেশের প্রতি টান থেকেই আগামীতে রিকশায় পানীয় জল রেখে ক্লান্ত যাত্রীদের সুখ দিতে চান। তাঁর বক্তব্য, নিজের কাজে সততা রেখে সবাই আন্তরিকভাবে দেশের প্রতি ভালবাসা রাখলে ভারতে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। তা এই সব প্রচেষ্টাকে সফল করার জন্য চাই একটু বড় মাপের রিকশার। এখন এই প্রচেষ্টাতেই অগ্রসর হচ্ছেন সুশীল।
