পঁচিশ পরগনার রাজ্যে পাঁচ বিভাগ

জেলা ভাগে মমতা বামফ্রন্টকে হারালেন পাঁচ-তিন গোলে

দেশ যখন স্বাধীন হয়, পশ্চিমবঙ্গে ছিল মাত্র ১৪টি জেলা। আর কয়েক মাস পরে সেই রাজ্যেই হবে ২৩টি জেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, আগামী বছর বৈশাখ মাসেই গড়া হবে রাজ্যের নতুন তিন জেলা কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম ও আসানসোল। এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের প্রয়োজনীয় অনুমোদনও পাওয়া গেছে। আরও দুটি জেলা অনুমোদনের পাইপলাইনে আছে। কেবল তা-ই নয়, ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, রাজ্যে তিনটি প্রশাসনিক বিভাগকে ভেঙে পাঁচটি বিভাগ করা হবে। সব মিলিয়ে ৩৪ বছরের বাম জমানাকে ইতিমধ্যেই গো-হারা হারতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমরা এই আলোচনাটা তিন ভাগে করব, প্রথম ভাগে বামফ্রন্ট সরকার আগে পর্যন্ত, দ্বিতীয় ভাগে বহু-চর্চিত ৩৪ বছরের বাম আমল, আর শেষে ঘটমান বর্তমান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসন।

পর্ব- ১: ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৭
১৯৪৭ সালে রাজ্যে ছিল ১৪ জেলা
ঐক্যবদ্ধ বাংলাকে ভেঙে যখন পশ্চিমবঙ্গ গড়ে উঠেছিল, তখন রাজ্যে এতগুলি জেলা ছিল না। স্বাধীনতার সেই ক্রান্তিকালে ১৪টি জেলা নিয়েই যাত্রা শুরু হয়েছিল এ রাজ্যের। তার পর কেবল জেলার সংখ্যাই বাড়েনি, বেড়েছে রাজ্যের আয়তনও। সেই ইতিহাসের দিকে একবার ফিরে তাকানো যাক।

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গে ছিল জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, পশ্চিম দিনাজপুর(পরাধীন ভারতে দিনাজপুর নামে এক বড় জেলা ছিল, সেই জেলার পশ্চিম অংশ পড়ে এই বাংলায়, আর পূর্ব দিক যায় পূর্ব বঙ্গ তথা পূর্ব পাকিস্তানে), মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, ২৪ পরগনা, কলকাতা, মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলা। এর মধ্যে দার্জিলিং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, বাঁকুড়া ও বীরভূম এই দশটি জেলার পরিধি এখনও ১৯৪৭ সালের মতোই রয়েছে। কিন্তু আর কয়েক মাসের মধ্যেই দার্জিলিং ও বর্ধমান জেলা ভেঙে গড়ে উঠবে নতুন দুটি জেলা। সে আলোচনায় পরে আসব।        

কোচবিহার জেলা গঠন
স্বাধীনতার সময়ে কোচবিহার এলাকা কোট রাজাদের অধীনে রাজন্য-শাসিত রাজ্য ছিল। ১৯৪৯ সালের ২০ আগস্ট কোচবিহারের রাজার সঙ্গে এক চুক্তিবলে এই এলাকা ভারতভুক্ত হয়েছিল। এলাকার শাসনভার ভারতের কাছে হস্তান্ত হয়েছিল ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৯-এ। কয়েকমাস ভারতের একটি আলাদা রাজ্যের মতো থাকার পরে ১৯৫০ সালের ১৯ জানুয়ারি কোচবিহারকে পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রাজার অধীনে যতটুকু এলাকা ছিল, সেটুকুকেই নিয়ে গড়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের অধীনে কোচবিহার জেলা। এটি রাজ্যের ১৫-তম জেলা।

রাজ্যে এল পুরুলিয়া
ব্রিটিশ আমলে ১৮০৫ সালে জঙ্গলমহল নামে একটি বড় জেলা গঠিত হয়। এই জেলার মধ্যে ছিল বর্তমান পুরুলিয়া সহ ২৩টি পরগনা ও মহল। ১৮৩৩ সালে জঙ্গলমহল জেলা ভেঙে মানভূম নামে এক নতুন জেলা গঠিত হয়। বিশাল এই জেলার মধ্যে ছিল বর্তমান পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বর্ধমান জেলা, বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ধানবাদ, ধলভূম ও সেরাইকেলা-খাড়সোয়ান জেলা ইত্যাদি। জেলাটির হেডকোয়ার্টার করা হয় মানভূমি। ১৮৩৮ সালে হেডকোয়ার্টার নিয়ে আসা হয় পুরুলিয়া শহরে। স্বাধীনতার সময়ে এই বিশাল জেলাটির পুরুলিয়া সহ একটি অংশ মানভূম জেলা নামে বিহার রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু ওই জেলার বাঙলাভাষী মানুষেরা আন্দোলন করতে থাকেন তাদের পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিত লোকসেবক সংঘ নামে একটি রাজনৈতিক দল। একসময়ে এই দলের খুব প্রভাব ছিল পুরুলিয়ায়। অবশেষে ১৯৫৬ সালে যখন ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যগুলির পুনর্গঠন হয়, মানভূম জেলা থেকে পুরুলিয়া কেটে পশ্চিমবঙ্গে যুক্ত করা হয়। এটি এ রাজ্যের ১৬-তম জেলা। পুরুলিয়ার পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্তির পরে ধীরে ধীরে লোকসেবক সংঘও মহাকালের অন্দরে বিলীন হয়ে যায়।

পর্ব- ২- ৩৪ বছরের বাম আমল
ভাঙল ২৪ পরগনা

১৯৮৩ সালে আশোক মিত্র-র নেতৃত্বে প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি ২৪ পরগনা জেলাকে ভেঙে দু’টি জেলা করার প্রস্তাব করে। কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৮৬ সালের ১ মার্চ তৎকালীন ২৪ পরগনা জেলার জায়গায় দুটি জেলা আত্মপ্রকাশ করে। উত্তর ২৪ পরগনায় থাকে পাঁচটি মহকুমা, বারাসাত, বনগাঁ, ব্যারাকপুর, বসিরহাট ও বিধাননগর। দক্ষিণ ২৪ পরগনার থেকে আলিপুর, বারুইপুর, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার ও কাকদ্বীপ মহকুমা। ২৪ পরগনা দু’ভাগ হওয়ার ফলে রাজ্যে জেলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৭টি।

পশ্চিম দিনাজপুরের বদলে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর
অবিভক্ত বাংলায় ছিল দিনাজপুর জেলা। স্বাধীনতার সময়ে সেই জেলার পশ্চিম অংশ নিয়ে এ রাজ্যে গঠিত হয় পশ্চিম দিনাজপুর জেলা। পূর্ব পাকিস্তানে জেলাটির বাকি অংশ দিনাজপুর নামেই থেকে গিয়েছিল। ১৯৫৬ সালে ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য পুর্নগঠনের সময় বিহার থেকে কিছু এলাকা পশ্চিম দিনাজপুরে যুক্ত হয়ে জেলাটির কলেবর বৃদ্ধি করে। ১৯৯২ সালের ১ এপ্রিল পশ্চিম দিনাজপুর জেলা ভেঙে দু’টি জেলা আত্মপ্রকাশ করে নাম হয় উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর। উত্তর দিনাজপুরে থাকে রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর, এই দুটি মহকুমা এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে থাকে দুটি মহকুমা, বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর। পশ্চিম দিনাজপুর জেলা ভাগের ফলে রাজ্যে জেলার সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ট।

দুই মেদিনীপুর
২০০২ সালের ১ জানুয়ারি মেদিনীপুর জেলাকে দু’ভাগ করা হয়েছিল। নাম হয়েছিল পূর্ব ও পশ্চম মেদিনীপুর। পূর্ব মেদিনীপুরে তমলুক, হলদিয়া, কাঁথি ও এগরা মহকুমা রইল আর পশ্চিম মেদিনীপুরে খড়গপুর, মেদিনীপুর সদর, ঘাটাল ও ঝাড়গ্রাম মহকুমা রইল। মেদিনীপুরের দু’ভাগ হওয়ার ফলে রাজ্যে জেলার সংখ্যা হলো ১৯টি।

রাজ্যে এল পরিবর্তন
২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে করতেই তিনি বুঝতে পারেন, জনসংখ্যা যে ভাবে বেড়েছে, জেলাগুলির ভৌগলিক, আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি যেমন রয়েছে, তাতে জেলা ভাগ অত্যন্ত জরুরি। প্রকৃতপক্ষে এই কাজ আরও আগেই হওয়া উচিত ছিল বলে অনেকেই মনে করেন। ২০১১ সালের ৩০ জুলাই তিনি প্রথম রাজ্যে আরও পাঁচ জেলা গঠনের কথা বলেন।

ভাগ হল জলপাইগুড়ি জেলা
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম যে জেলাটি ভাগ করলেন, সেটা জলপাইগুড়ি। দিনটি ছিল ২৫ জুন ২০১৪। আলিপুরদুয়ার অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে তিনি যাত্রা শুরু করেদিলেন আলিপুরদুয়ার জেলার। জেলাটির নানা বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন এই এলাকাতেই রয়েছে ৭০টি চা বাগান। আবার, বিপুল সংখ্যায় আদিবাসী মানুষ এখানে বসবাস করেন। আগের জেলা সদর জলপাইগুড়ি সদর থেকে এই এলাকা বহুদূর হওয়াতে মানুষের অত্যন্ত অসুবিধা হত। সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। আলিপরদুয়ার জেলাতে একটিই মহকুমা থাকবে, সেটি হল আলিপুরদুয়ার। আর জলপাইগুড়ি জেলায় থাকবে দুটি মহকুমা, জলপাইগুড়ি সদর ও মাল। এই জেলা ভাগের ফলে রাজ্যে জেলার সংখ্যা দাঁড়াল ২০।

নতুন কালিম্পং জেলা
দার্জিলিং জেলা ভেঙে নতুন কালিম্পং জেলা গঠিত হতে চলেছে। এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমোদন পাওয়া গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, আগামী পয়লা বৈশাখে তিনি এই জেলার উদ্বোধন করবেন। আগে দার্জিলিং জেলায় চারটি মহকুমা ছিল। এগুলি হল দার্জিলিং সদর, কার্শিয়ং, কালিম্পং ও শিলিগুড়ি। এখন কালিম্পং নিয়ে আলাদা জেলা গঠিত হলে মিরিক অঞ্চলকে পৃথক মহকুমার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এই নিয়ে রাজ্যে জেলার সংখ্যা হবে ২১টি।

বর্ধমান জেলা দু’ভাগ হবে
বর্ধমান একটি জেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকবারই বলেছেন, এই জেলার শিল্পাঞ্চলকে নিয়ে আলাদা জেলা হবে। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমোদনও পাওয়া গেছে। সম্ভবত আগামী বৈশাখ মাসে এই জেলার যাত্রা শুরু হবে। জেলাটার নাম হতে পারে আসানসোল। এটা রাজ্যের ২২তম জেলা হবে।

এবার ঝাড়গ্রাম হবে নতুন জেলা
বিগত কিছুদিন ধরেই ঝাড়গ্রাম আলাদা পুলিশ জেলা হিসেবে কাজ করছে। এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ঝাড়গ্রাম মহকুমাকে নিয়ে আলাদা জেলা গড়া হবে। আগামী বৈশাখ মাসেই নতুন জেলাটি গঠিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম বাদে পশ্চিম মেদিনীপুরে থাকবে। খড়গপুর, মেদিনীপুর সদর, ঘাটাল এই তিন মহকুমা। অনুন্নত ঝাড়গ্রামে নতুন জেলা উন্নয়নের সহায়ক হবে বলেই সংশিষ্ট মহলের বিশ্বাস। এটি ধরে রাজ্যে জেলার সংখ্য হবে ২৩।

সুন্দরবন জেলা
আমাদের রাজ্যের একেবারে দক্ষিণ অংশে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে সুন্দরবন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন, দুই ২৪ পরগনার সুন্দরবন অঞ্চলকে উন্নয়নে বাড়তি গুরুত্ব দিতে গড়ে তোলা হবে সুন্দরবন জেলা। এখনও কিছু পদ্ধতিগত কাজ বাকি। সেটা হয়ে গেল সুন্দরবন হবে রাজ্যের ২৪-তম জেলা। বর্তমানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৩টি ব্লক ও উত্তর ২৪ পরগনার ৬টি ব্লকে সুন্দরবন বিস্তৃত। উত্তর ২৪ পরগনার এই ৬টি ব্লক এখন বসিরহাট মহকুমার অন্তগর্ত। তাই নতুন সুন্দরবন জেলা গঠনের ক্ষেত্রে কোন কোন ব্লক নেওয়া হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বসিরহাট জেলা
বর্তমানে বসিরহাট মহকুমায় দশটি ব্লক আছে। এগুলি হল বাদুরিয়া, বসিরহাট-১, বসিরহাট-২, হারোয়া, হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি-১, সন্দেশখালি-২ ও স্বরূপনগর ব্লক। এর মধ্যে ৬টি ব্লক সুন্দরবন এলাকার মধ্যে পড়ে। বসিরহাট জেলা গঠিত হলে তা হবে রাজ্যের ২৫-তম জেলা।

আরও নতুন মহকুমা
মিরিকে নতুন মহকুমা ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, পুরুলিয়া জেলার ঝালদা ও মানবাজার ব্লক দু’টিকে মহকুমায় উন্নীত করা হবে। বর্তমানে রাজ্যে মহকুমার সংখ্যা ৬৮টি। মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা অনু্যায়ী এই সংখ্যা বেড়ে হবে ৭১টি।

রাজ্য পাবে আরও দুটি ডিভিশন
এতদিন পর্যন্ত রাজ্যে রয়েছে তিনটি ডিভিশন। জলপাইগুড়ি ডিভিশনে আছে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। বর্ধমান ডিভিশনে আছে বাঁকুড়া, বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি ও পুরুলিয়া জেলা। আর প্রেসিডেন্সি ডিভিশনে আছে হাওড়া, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা।

রাজ্যের তিনটি বিভাগ ভেঙে পাঁচটি বিভাগ করা হবে। এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। নতুন দুটি বিভাগ হবে মেদিনীপুর ও মালদহ। জলপাইগুড়ি বিভাগে থাকবে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং জেলা। মালদহ বিভাগে থাকবে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ মেদিনীপুর বিভাগে থাকবে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলা। বর্ধমান বিভাগে থাকবে বর্ধমান, হুগলি ও বীরভূম জেলা এবং প্রেসিডেন্সি বিভাগে থাকবে নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা এবং হাওড়া জেলা।

পরিশেষে এই কথাই বলা যায়, প্রত্যন্ত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে গেলে ছোট জেলা যে অধিক কার্যকর তা আজ সাধারণ ভাবে সবাই মেনে নিচ্ছেন। আসল কথাটা হল কাজটা করা। সেই কাজটাই হাতে কলমে করে দেখাচ্ছেন এই সরকার।  

Developed by DXDasia