অভিনয় নয়, গানই ছিল পাহাড়ি সান্যালের প্রথম নেশা – পড়ুন সারাদিনের বাছাই খবর

দিনযাপনে বাছাই করা খবর

অভিনয় নয়, গানই ছিল পাহাড়ি সান্যালের প্রথম নেশা

যে মানুষটা বাংলা-সহ হিন্দি, উর্দু, ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন, তাঁকে বাংলার মানুষ কতটা মনে রেখেছে? পাহাড়ি সান্যাল। বাংলা চলচ্চিত্রের ‘ভালো মানুষ বাবা’র চরিত্রে অভিনয় করে জীবনের বেশিরভাগটাই তাঁকে কাটাতে হয়েছিল। শর্মিলা ঠাকুর অভিনীত ‘আরাধনা’ হোক বা সুচিত্রা সেন অভিনীত ‘হারানো সুর’। ছবির নায়ক-নায়িকাদের পাশাপাশি কীভাবে নিজের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয়, তা ভালোভাবে জানতেন সান্যালবাবু। সে যুগে ছবি বিশ্বাস বা তুলসী চক্রবর্তীর মতো জাঁদরেল অভিনেতার পাশেই সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হয়ে অভিনয়ের ফিল্ডে খেলা করে গেলেন। পাহাড়ি সান্যালের জন্ম দার্জিলিং-এ। আসল নাম নগেন্দ্রনাথ সান্যাল। শৈশব ও যৌবনের প্রথম পর্ব কাটান লক্ষ্ণৌতে। সঙ্গীতের প্রতি বরাবর নেশা তাঁর। লক্ষ্ণৌ সঙ্গীত কলেজ থেকে ‘উপাধি’ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৩৩ সালে চলে এলেন কলকাতা এবং নিউ থিয়েটার্সে অভিনেতা হিসেবে যোগ দিলেন। চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ ‘মীরাবাঈ’ চিত্রে। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শোর উপর ছবিতে অভিনয় করেছন। বাবা ছিলেন সঙ্গীতজ্ঞ। বাবার হাত ধরেই সারেগামার তালিম শুরু। তারপর সেখান থেকে ইন্ডিয়ান ক্লাসিকাল। লক্ষ্ণৌতেই শুরু করেন ক্লাসিকাল গানের চর্চা। কিন্তু জীবনের প্রায় পুরোটাই অভিনয় নিয়ে মেতেছিলেন। কাজ করেছেন সত্যজিৎ রায়, রাজ কাপুরের মতো মানুষদের সঙ্গে। আজ অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের ১১৪তম জন্মদিন।

উৎকর্ষতার নিরিখে দেশের সেরা বাংলার দুই হাসপাতাল

১বাংলার মুকুটে নয়া পালক। উৎকর্ষতার নিরিখে দেশের ১১৫টি রাজ্যচালিত ইএসআই হাসপাতালের মধ্যে সেরার শিরোপা পেল বাংলার দুই হাসপাতাল। একটি শিয়ালদহ, অন্যটি মানিকতলা। শ্রেষ্ঠত্বের বিচার করতে গিয়ে রাজ্যচালিত ইএসআই হাসপাতালগুলিকে তিনটি বিভাগে ভাগ করেছে ইএসআইসি। একটি ১০০ শয্যা পর্যন্ত হাসপাতাল। অন্যটি ১০১ থেকে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল। এবং তৃতীয়টি হল ৩০০ শয্যার উপরের হাসপাতাল। ‘মাঝারি’ বিভাগের রাজ্যচালিত ইএসআই হাসপাতালগুলির মধ্যে সেরা হয়েছে শিয়ালদহ ইএসআই। আর ‘বড়ো’তে সেরার শিরোপা পেয়েছে মানিকতলা ইএসআই। এই দুটি সম্মানই আসছে ইএসআইসি প্রকাশিত ‘মেডিক্যাল’ বিভাগের আওতায়। বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।

দুঃস্থ শিশুদের দুধ-পাউরুটি খাইয়ে শিবরাত্রি পালিত হল আসানসোলে

ফাল্গুন মাসে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর দিন উদযাপিত হয় শিবরাত্রি। শিবের ভক্তরা এদিন শিবলিঙ্গে দুধ, গঙ্গাজল, বেলপাতা, ফুল দিয়ে পুজো করে থাকেন। তবে এবার আসানসোল ব্রাদারহুড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের এক সংগঠন এবার শিবরাত্রি পালন করল অভিনবভাবে। দুঃস্থ শিশুদের দুধ, ব্রাউন পাউরুটি, বিস্কুট, লাড্ডু, কলা বিলি করে ‘শিবজ্ঞানে জীবসেবা’ করলেন এই সংস্থার সদস্যরা। শুক্রবার সন্ধে ৬টা থেকে আসানসোল জিটি রোডের পাশে আশ্রমমোড়ে শনিমন্দির এলাকায় দরিদ্র শিশুদের খাবার বিতরণ করা হয়। এই সংস্থার সদস্যরা মনে করেন, সব মানুষের মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজমান। রামকৃষ্ণ পরমহংসের ভাবধারা প্রচার করতে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর”। আসানসোল ব্রাদারহুড সেই আদর্শই হাতেকলমে প্রয়োগ করে নজির গড়ল।

আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং তালিকায় স্বীকৃতি পেল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

উচ্চমানের বিদ্যাচর্চার কেন্দ্র হিসেবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ছড়িয়ে পড়েছে দিকে দিকে। নানাভাবে তার স্বীকৃতিও পেয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যাই নয়। আধুনিক প্রগতিশীল মনন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সুবিদিত। এবার ‘দ্য টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমার্জিং ইকোনমিক্স ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিংস ২০২০’-এর আন্তর্জাতিক তালিকাতেও স্বীকৃতি পেল যাদবপুর। দেশের সমস্ত রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সারা ভারতে প্রথম স্থানে আছে মহারাষ্ট্রের পুনে সাবিত্রীবাই ফুলে বিশ্ববিদ্যালয় এবং দ্বিতীয় স্থানে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং-এর এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ই স্থান পেয়েছে।
Developed by DXDasia