গ্রামীণ মহিলাদের উদ্যোগে কারখানায় তৈরি হচ্ছে ধানের চারা

জল লাগছে কম, বেঁচে যাচ্ছে শ্রম ও অর্থ

কারখানায় তৈরি হচ্ছে ধানের চারা! শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি। পর্যাপ্ত জলের অভাবে বীজতলা তৈরিতে নানা সমস্যা দেখা দেয় প্রায়ই। তাছাড়া রয়েছে শ্রম ও খরচের সমস্যাও। এইসব সমস্যার সমাধানে এখন কারখানাতেই তৈরি হচ্ছে ধানের চারা। উত্তরবঙ্গের পর পূর্ব বর্ধমান জেলার পাঁচটি ব্লকে ধানের চারা তৈরির কারখানা গড়ছে কৃষিদপ্তর। এই কারখানায় তৈরি চারা দিয়েই এই খরিফ মরশুমে ১০০ একর ধান-চাষের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ‘আতমা’ (এগ্রিকালচার টেকনোলজি ম্যাজেন্টমেন্ট এজেন্সি) প্রকল্পের আওতায় এই কারখানা গড়া হচ্ছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের নিয়ে। ফলে, কৃষকরা ও গ্রামীণ মহিলারা একইসঙ্গে উপকৃত হচ্ছেন এই প্রকল্পে।

কারখানায় ধান চাষ করা হচ্ছে ট্রে-র মাধ্যমে। বাংলায় এই কারখানার নাম দেওয়া হয়েছে– ‘ট্রেতে ধানের চারা তৈরির কারখানা’। উত্তরবঙ্গে প্রথম শুরু হয় এই ধরনের কারখানা। কারখানায় কাজের জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে বীজ, ট্রে কেনার টাকা এবং কৃষিযন্ত্র। ট্রে-তে ধানচাষে বীজতলার তুলনায় কম জল লাগে। ২৫ দিনের মধ্যেই তৈরি হয়ে যায় চারা। কারখানায় জন্ম নেওয়া ধানের চারা নতুন আশা দেখাচ্ছে বাংলার চাষিদের। উপকৃত হচ্ছেন গ্রামীণ মহিলারাও।

Developed by DXDasia