
দিনযাপনে বাছাই করা খবর
খোলা আকাশের নিচে চলচ্চিত্র উৎসব, কলকাতায় প্রথমবার
কলকাতার বুকে এই প্রথমবার। খোলা আকাশের নিচে চলচ্চিত্র উৎসব। যে যার মতো করে চলচ্চিত্র দেখবেন, আলোচনা করবেন, পরিচালক-অভিনেতাদের সঙ্গে গুছিয়ে আড্ডা দেবেন। দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় গীতাঞ্জলি মেট্রোর কাছে একটি মাঠে চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করেছে ব্লু চক স্টুডিও। ফেলিনি, আয়ায়ো মিয়াজাকি, চ্যাপলিন ছাড়াও এই উৎসবে দেখানো হবে প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের ‘বাকিটা ব্যক্তিগত’, সৌকর্য ঘোষালের ‘রেনবো জেলি’, সুদেষ্ণা রায়-অভিজিৎ গুহের ‘সামসারা’। এছাড়াও মৃণাল সেনকে শ্রদ্ধা জানাতে দেখানো হবে ‘জেনেসিস’, ‘চালচিত্র’ এবং ‘ইন্টারভিউ’। চার দেওয়ালের মধ্যে বন্দি থেকে সিনেমা দেখার চেনা ছক থকে বেরিয়ে সম্পূর্ণ অন্যরকম ফরম্যাটে উৎসবের আয়োজনের জন্য কর্তৃপক্ষ প্রশংসা পাচ্ছে সর্বত্র। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি, এই তিন দিন মোট ৩০টি ছবি দেখানো হবে।

এবার হাসপাতাল থেকে রক্তের অনুরোধ সরাসরি চলে যাবে ব্লাড ব্যাংকে
রক্তের প্রয়োজনে ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে মাথা কোটার দিন শেষ। এবার থেকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি কোনো রোগীর যদি রক্তের দরকার হয়, তাহলে ওয়ার্ড থেকেই কাছের সরকারি ব্লাড ব্যাংকে চলে যাবে নির্দেশ। কোন গ্রুপের কতটা রক্ত লাগবে, তার উল্লেখ থাকবে সেখানে। অনলাইন এই ব্যবস্থার নাম ‘ই-রিকুইজিশন’। রোগীর পরিজন রক্তের নমুনা নিয়ে ব্লাড ব্যাংকে গেলেই পেয়ে যাবেন রক্ত। এই ব্যবস্থা কার্যকরী হলে সহজেই মিলবে প্রয়োজনীয় রক্ত। রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা আর অযথা হয়রানির শিকার হবেন না। ব্লাড ব্যাংককে ঘিরে দাললচক্রও নির্মূল হবে। পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ‘ই-রিকুইজিশন’ ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে পার্ক সার্কাসের চিত্তরঞ্জন ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

মেয়ের বিয়েতে হাজারেরও বেশি চারাগাছ উপহার দিলেন পূর্ব বর্ধমানের ‘কৃষকরত্ন’
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষ করে ‘কৃষকরত্ন’ পুরস্কার পেয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের উজ্জ্বল দে। বেগুট গ্রামের এই চাষি এবার মেয়ের বিয়েতেও সবুজায়নের অনন্য নজির গড়লেন। বিয়ের মণ্ডপে সম্পর্কের বন্ধনের আবদ্ধ হওয়ার আগে তাঁর মেয়ে অনন্যা দে হবু বরের হাতে তুলে দিলেন মেহগনি গাছের চারা। বিয়ের পাত্র শান্তনু হাটি সেই উপহার গ্রহণ করলেন আনন্দের সঙ্গে। পেশায় তিনি বিজ্ঞান গবেষক। শুধু তাই নয়, নিমন্ত্রিত অতিথিদেরও হাতে তুলে দেওয়া হয় চারাগাছ। মঙ্গলবার বিয়ের অনুষ্ঠানে সব মিলিয়ে এক হাজারেরও বেশি কাঁঠাল, চাঁপা, টগর ইত্যাদি গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়। গাছপাগল উজ্জ্বলবাবুর এই উদ্যোগকে প্রশংসা জানাচ্ছেন সবাই। নিজের বাড়িকেও সবুজে ভরিয়ে তুলেছেন এই কৃষক।
আজ বিশ্ব রেডিও দিবস – কেমনভাবে পালিত হবে আজকের দিন?
রেডিও শোনার অভ্যাস কি একেবারেই চলে গেছে বিশ্ববাসীর? সেই বিংশ শতকের মাঝের দিকে এক ইতালীয় বিজ্ঞানী প্রথম দূরের সংযোগকে বেতার তরঙ্গে জুড়েছিলেন। রেডিও তারপর প্রতি সকাল, বিকেল, রাতের অভ্যাস হয়ে উঠেছে বিশ্ববাসীর। রেডিওর সরকারি যুগ পেরিয়ে হইহই করে এসেছে এমএম। রেডিওকে স্যালুট জানাতে ২০১১ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে বিশ্ব রেডিও দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। এই দিনটিকে বাছার কারণ হল, ১৯৪৬ সালে এই দিনেই রাষ্ট্রপুঞ্জ প্রথম রেডিওর আন্তর্জাতিক সম্প্রচার শুরু করেছিল। এবছর আজকের দিন পালন করা হবে রেডিওয় খেলার সম্প্রচার এবং সেই সম্প্রচারে পুরুষ-মহিলা ঘোষকদের সমানাধিকার এবং খেলার মাধ্যমে শান্তি ও উন্নয়ন সম্প্রচার আলোচনার মাধ্যমে।
