
যাবতীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান করতে হবে নোনাডাঙা এবং পাটুলিতে
রবীন্দ্র সরোবর অর্থাৎ ঢাকুরিয়া লেকে বন্ধ হতে চলেছে সব ধরনের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান। রবীন্দ্র সরোবরে সব ধরনের অনুষ্ঠান বন্ধ করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আইনি লড়াই চলছিল। ১৯২০ সালে কলকাতা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্টের খনন করা এই জলাশয়টির স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রেখে এটিকে রক্ষা করতে ন্যাশনাল গ্রিন বেঞ্চেও দীর্ঘ আইনি লড়াই হয়েছে। ন্যাশনাল গ্রিন বেঞ্চের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল জলাশয়-সহ প্রায় ১৯২ একর জায়গা জুড়ে থাকা রবীন্দ্র সরোবরের স্বাভাবিক, প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করতে সব রকমের ব্যবস্থা নিতে হবে রাজ্যকে। অবশেষে সেই জটিলতা কাটতে চলেছে।
আগামীদিনে যাবতীয় ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান করতে হবে পূর্ব কলকাতার নোনাডাঙা এবং দক্ষিণ কলকাতার পাটুলিতে। এই দুই জায়গায় তৈরি হচ্ছে নতুন ঘাট। কেএমডির পক্ষ থেকে প্রচার করা হচ্ছে রবীন্দ্র সরোবরের বদলে এবার থেকে সবাই যেন ওই দু’টি জলাশয় ব্যবহার করেন। ছটপুজো-সহ অন্যন্য অনুষ্ঠান তাই এখানে আর করা যাবে না। রাজ্যের একমাত্র জাতীয় জলাশয় হিসাবে চিহ্নিত এই রবীন্দ্র সরোবর। যেখানে রয়েছে প্রচুর মাছ, পরিযায়ী পাখি, এমনকি পঞ্চাশটিরও বেশি বিরল প্রজাতির গাছ। তাকে রক্ষা করা যেকোনো সাধারণ মানুষের পালনীয় কর্তব্য।
ছবি- সংগৃহীত
