
ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘন্টায় প্রায় দেড়শো কিমি
আমফানের ক্ষত রয়ে গিয়ে এখনও। তারমধ্যেই ফের ভ্রুকুটি নতুন ঘূর্ণিঝড়ের। শুরু হয়ে গিয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের মরশুম। নামকরণও হয়ে গিয়েছে পরবর্তী ঘূর্ণঝড়ের। বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে, ভারতের আবহাওয়া দফতর আইএমডি-এর তরফে তার নাম দেওয়া হয়েছে টাউকটে।
মার্চ-এপ্রিল-মে ঘূর্ণিঝড়ের পক্ষে আদর্শ। কেননা এই সময় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি পার হয়ে যায়। যা ঘূর্ণিঝড়ের পক্ষে আদর্শ। পাশাপাশি বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঘূর্ণিঝড়ের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে এই সময়। তবে এপ্রিল-মে মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় সব থেকে বেশি। তবে আরবসাগরও কম যায় না।আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৯ মার্চ নাগাদ বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে বাংলা কিংবা ওড়িশা কিংবা মায়ানমার উপকূলে আঘাত হানতে পারে ৩-৪ এপ্রিল নাগাদ। আবহাওয়াবিদদের প্রাথমিক অনুমান ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ঘন্টায় প্রায় দেড়শো কিমি। তবে এই ঘূর্ণাবর্ত থেকে যদি ঘূর্ণিঝড় তৈরি না হয় তবে তার জন্য অপেক্ষা করা হবে। তবে মে-জুনের মধ্যে হবে বলে ধরে নেওয়া যায়।
