
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের
আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। অনার্সের পাঠ্যক্রমে এবার পড়ানো হবে নজরুলগীতি। আপাতত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তিনটি কলেজকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রানিগঞ্জের ত্রিবেণীদেবী ভালোটিয়া কলেজ, রানিগঞ্জ গার্লস কলেজ এবং দুর্গাপুর মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলেজে শুরু হয়েছে নজরুলগীতি ও ক্লাসিক্যাল মিউজিকে অনার্স পড়ার সুবর্ণ সুযোগ। প্রত্যেক কলেজে সর্বোচ্চ কুড়ি জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সুযোগ পাবেন।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ থেকে ইতিমধ্যেই চারজন ছাত্রী এই কোর্সে ভর্তির আবেদন জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে গর্বিত বাংলা। নজরুল ইসলাম তাঁর সীমিত কর্মজীবনে প্রায় চার হাজারেরও বেশি গান রচনা করেছেন। পৃথিবীর কোনো ভাষায় একক হাতে এত বেশি সংখ্যক গান রচনার উদাহরণ নেই। গানের ভাষা নিজের, সুর নিজের। তাঁর রচিত “চল্ চল্ চল্, ঊর্ধগগনে বাজে মাদল” বাংলাদেশের রণসংগীত হিসাবে স্বীকৃত। এতদিন নজরুলের গান নিয়ে অ্যাকাডেমিক স্তরে পড়াশোনা করার সুযোগ ছিল না পশ্চিমবঙ্গে। এবার সেই সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত নজরুল প্রেমীরা। এমন সিদ্ধান্তের জয়জয়কার ছড়িয়ে পড়ুক সমগ্র বাংলায়।
