বহু বছর পর এক মঞ্চে নবনীতা-অমর্ত্য – পড়ুন সারাদিনের বাছাই করা খবর

দিনযাপনে বাছাই চার

বহু বছর পর এক মঞ্চে নবনীতা-অমর্ত্য

“তুমি সুস্থ হলেই ওরা আবার ফিরবে/ এমনকি তুলসীতলার যে প্রদীপটি ধরে তুমি/ আমার মুখ দেখেছো, তাকেও ভাসিয়ে দিয়ে,/ একটু শুভ্র স্তব হয়ে জ্বলবো তোমার শিয়রে/ আসুক, ওরা ফিরে আসুক, যারা চিরকাল/ শুধুই চলে যাচ্ছে, এখান থেকে অন্যখানে” – আরোগ্য নামক কবিতায় এমনই সব অদ্ভুত মনখারাপের কথা লিখেছিলেন কবি ও অধ্যাপিকা নবনীতা দেবসেন। মানুষটি সদ্যপ্রয়াত হয়েছেন ঠিকই, কিন্তু মানসিকভাবে প্রত্যেকের ভিতর ভিতর রয়ে গেছেন ‘প্রিয় নবনীতা’ হয়ে। নবনীতা দেবসেনকে মনে রেখে আগামী ১৩ জানুয়ারি বিকেল ৫-৩০টায় রবীন্দ্রসদনে আয়োজন করা হয়েছে নবনীতা দেবসেন স্মারক বক্তৃতা। বক্তব্য রাখবেন নোবেল জয়ী অধ্যাপক অমর্ত্য সেন। অমর্ত্য-নবনীতার ছাড়াছাড়ি হবার পরেও নবনীতার মন ছিল ব্যাকুল। সেই কারণেই নবনীতার প্রয়াণের কিছুদিন পর সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ বলেছিলেন, “ছাড়াছাড়ি হবার পরেও নবনীতাকে দেখেছি অমর্ত্যর জন্য কেমন উদাস হয়ে যেত।” এই আলোচনা সভায় অমর্ত্য সেন বলবেন ‘স্বদেশ ও বিদেশ’ শিরোনামে। সভাপতিত্ব করবেন সমাজবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং প্রধান অতিথি হিসাবে থাকবেন কবি শঙ্খ ঘোষ। প্রকাশিত হবে নবনীতা দেবসেন রচনাবলীর দ্বিতীয় খণ্ড। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে দে’জ পাবলিকেশন।

নলেন গুড়ের সীতাভোগ-মিহিদানা এখন মিলছে বর্ধমানে

এরসগোল্লার মতো এবার সীতাভোগ-মিহিদানাও বানানো হচ্ছে যাচ্ছে নলেন গুড় দিয়ে । ১৯০৪ সালে বড়োলাট লর্ড কার্জনের সম্মানে ভৈরবচন্দ্র নাগ তৈরি করেছিলেন এই দুই মিষ্টান্ন। পরবর্তীকালে সীতাভোগ-মিহিদানার জন্য বর্ধমানের গণেশ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের নাম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বিখ্যাত সংস্থাই এবার চিনির বদলে নলেন গুড় দিয়ে মিষ্টি দু’টি তৈরি করল। শুক্রবার থেকে তিনদিন নলেন গুড়ের সীতাভোগ ও মিহিদানা মিলছে তাদের দোকানে। নলেন বাহারের এই বিশেষ সীতাভোগ প্রতি কেজি ২৬০ টাকা এবং মিহিদানা প্রতি কাপ ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

আধুনিক গান থেকে বাউল – দুই বাংলাকে সম্মান জানিয়ে শুরু হল যোধপুর পার্ক উৎসব

দুই বাংলার মিলনক্ষেত্র কলকাতার যোধপুর পার্ক উৎসব। টানা দশদিনের এই সাংস্কৃতিক উৎসবে মাতেন কলকাতার মানুষ। সংগীতশিল্পী ও সাহিত্যিকদের নিয়ে এই জমাটি আসর ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই উৎসব কমিটির চেয়ারম্যান শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। গতকাল উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কলকাতার মহানাগরিক এবং পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। যোধপুর ইডিএফ হাসপাতালের পাশে তালতলা মাঠে জঙ্গলমহলের শিল্পীদের মাদলের ছন্দ ও সুরে শুরু হয়ে গেল উৎসবের শুভ সূচনা। এবছর পাঁচমিশালি আবহে কাটবে শ্রোতাদের। কারণ সোনু নিগম, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি, ইন্দ্রনীল সেন, অন্বেষা দত্তগুপ্ত, রাঘব, রূপঙ্কর, লোপামুদ্রা, চন্দ্রবিন্দুর পাশাপাশি থাকছে বীরভূমের প্রখ্যাত বাউলশিল্পী গৌতম দাস এবং নদিয়ার প্রবাদপ্রতিম বাউলশিল্পী মনসুর ফকির। থাকছে রন্ধন, বসে আঁকো এবং ক্যুইজ প্রতিযোগিতা। এছাড়াও রাজ্য সরকারের উৎকর্ষ বাংলার স্টলও থাকছে। প্রতিবারের মতোই ১৩ জানুয়ারি পালন করা হবে বাংলাদেশ দিবস। উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের শিল্পী-সাহিত্যিকরা।

দিল্লির মতো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অতিথি নিবাস গড়ে উঠছে চেন্নাইয়েও

চেন্নাইতেও তৈরি হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি অতিথি নিবাস। দিল্লির বঙ্গভবনের ধাঁচেই এটি বানানো হবে, নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলা ভবন’। চেন্নাই শহরে ১২ কাঠা জমিতে ৬ তলা ভবন নির্মাণের জন্য শুক্রবার টেন্ডার ডাকল পূর্ত দপ্তর। তামিলনাড়ু সরকার এই অতিথি নিবাসের জন্য জমি দিয়েছে। টেন্ডারে ভবন নির্মাণ করতে সময় দেওয়া হয়েছে দু’বছর। এই নিয়ে তৃতীয় বার টেন্ডার ডাকা হল। আগের দু’বার টেন্ডারে সাড়া দেয়নি কোনো সংস্থা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাঁরা তামিলনাড়ুতে চিকিৎসার জন্য যান, তাঁরা এই অতিথি নিবাসে থাকার সুযোগ পাবেন। কলকাতা থেকে সরকারি আধিকারিকরা চেন্নাই গেলেও এখানে থাকতে পারবেন।
Developed by DXDasia