
‘গুলি চালনা সহ পুলিশের সব কাজই অপ্রয়োজনীয় এবং অসঙ্গত’ বলল তদন্ত কমিশন
সদস্য— এন.সি.চ্যাটার্জী (চেয়ারম্যান), রণদেব চৌধুরী, অজিত কুমার দত্ত, এস.কে.আচার্য, সিদ্ধার্থশংকর রায়, মায়া রায় (কমিশন নিযুক্ত সেক্রেটারী)
এঁরা প্রত্যেকেই সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্ঠিত অ্যাডভোকেট…
কমিশন রিপোর্টের অনুসিদ্ধান্তগুলি… (প্রতিস্রোত পত্রিকায় প্রকাশিত)
“আমাদের সামনে পেশ করা সাক্ষ্যপ্রমাণ থেকে আমরা নিশ্চিত যে কাছাড়ের জনসাধারণ পরিচালিত আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং মারাত্মক উস্কানী সত্ত্বেও তারা ছিল অহিংসার নীতিতে অবিচল। সত্যাগ্রহীরা নিজেদের দাবীর প্রতি সনিষ্ঠ এবং যথেষ্ট সংযমী ছিল এবং মহিলা সত্যাগ্রহীদের উপর সশস্ত্র পুলিশের অমানুষিক অত্যাচারের সময়ে স্বল্প সময়ের জন্য দু-একটি ইট পাটকেল ছোঁড়ার ঘটনা ছাড়া জনসাধারণ সংযত এবং নিয়মানুবর্তী হয়েই আন্দোলন পরিচালনা করেছিল। আন্দোলন চলাকালোন সত্যাগ্রহী অথবা কাছাড়ের সাধারণ মানুষের দ্বারা এমন কোনও শান্তির ব্যাঘাত ঘটানো হয়নি যা আসাম সরকার বা কাছাড় জেলায় নিযুক্ত তার এজেন্সিগুলির হিংসাত্মক কার্যকলাপকে সমর্থন করে। বরঞ্চ ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে শান্তিভঙ্গের একটা প্রচেষ্টা কাছাড় জেলা কর্তৃপক্ষই করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা প্রদর্শনের দ্বারা, সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র পুলিশের রুট মার্চ এবং হিংসার আবহাওয়া সৃষ্টির মাধ্যমে। আমরা নিশ্চিত যে সেনাবাহিনী, সি আর পি, আসাম রাইফেলস এবং সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করে আসাম সরকার এবং তার কাছাড়স্থ এজেন্সিগুলি সাধারণ মানুষকে ভীতিগ্রস্ত করে তুলতে চেয়েছিল। কিন্তু সরকারের এই সশস্ত্র ক্ষমতা প্রদর্শন সাধারণ মানুষের ওপর বিপরীত প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে এবং তাদের মনোবল বাড়িয়ে তোলে। বাংলা ভাষাকে অন্যতম সরকারী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দান এবং অন্যান্য জাতির মানুষের ভাষার স্বীকৃতির দাবীতে শান্তিপূর্ণ সত্যাগ্রহের সিদ্ধান্তের সমর্থনে তাদের মনোভাবকে দৃঢ় করে তোলে।
১) সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আমরা নিশ্চিত যে কাছাড়ে এই আন্দোলন কোন ধরণের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীতে পরিচালিত হয়নি। বরঞ্চ আসামে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতি এবং উপজাতি গোষ্ঠীর বেঁচে থাকার এই সংগ্রামের মূল আহবানকে অভিনন্দিত করা প্রয়োজন।
২) সাক্ষ্যপ্রমাণ থেকে দ্বিধাহীনভাবে এই সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়েছে যে আন্দোলন শুরু হবার অনেক আগে সেনাবাহিনীকে তৈরি রাখার সিদ্ধান্ত অপ্রয়োজনীয় ছিল। এই সিদ্ধান্তে পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ তো ছিলই না, আইনানুগও ছিল না।
৩) রাজ্যের এক বিশাল সংখ্যক মানুষের মুখের ভাষাকে রাজ্যিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতিদানের দাবী সম্পূর্ণ ন্যায়সংগত এবং কোনও সরকারের অধিকার নেই ন্যায় সংগত দাবীর এই আন্দোলন হিংসাত্মক উপায়ে দমন করা্ যতক্ষন পর্যন্ত তা শান্তিপূর্ণ বা অহিংসা থাকবে। কাছাড়বাসীরা সম্পত্তি ধ্বংস বা সাধারণ মানুষের উপর বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কোনওরকম হিংসাত্মক আক্রমণের পরিচয় দেয়নি। এই আন্দোলন দমনের জন্য আসাম সরকারের এই ধরনের বলপ্রয়োগের কোন প্রয়োজনই ছিল না। যদি ক্রিমিনাল প্রসিডিওরে নির্ধারিত কোড ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার অবাধ্যতা পরিলক্ষিত হত তাহলে সেক্ষেত্রেও আইনের মাধ্যমেই দুষ্কৃতকারীদের শান্তিবিধান সম্ভব ছিল। বেআইনী জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার প্রয়োজন হলে দেশের আইনই তার জন্য প্রশাসনিক পদ্ধতি নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। যে সকল স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শিলচরের সত্যাগ্রহীদের ওপর লাঠী, গুলি ও টিয়ার গ্যাস এবং করিমগঞ্জের সত্যাগ্রহীদের ওপর লাঠি ও টিয়ার গ্যাস চালনার জন্য দায়ী তারা নিজেরাই কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর এবং পুলিশ অ্যাক্টস অ্যান্ড রেগুলেশনকে ভঙ্গ করেন। সর্ব্বোচ্চ ক্ষমতাধারী ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে তখনই মিলিটারি এবং সশস্ত্র বাহিনী তলব করা যুক্তিযুক্ত, যখন কোনও বেআইনী জমায়েত দ্বারা সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। আইন এটাই লক্ষ্য রাখে যে একজন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান যাতে জনতা এবং জনগনের সম্পত্তি রক্ষার্থে ন্যূন্যতম শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বেআইনী জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করেন বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেন।
৪) আমাদের সামনে যে সমস্ত তথ্য উপস্থাপিত এবং যে সমস্ত স্থান আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, তাতে আমাদের জ্ঞানবুদ্ধি দ্বারা আমরা নিশ্চিত যে গুলি চালনা সহ পুলিশের সব কাজই অপ্রয়োজনীয় এবং অসঙ্গত। আমরা নিশ্চিত যে শিলচরে গুলি চালিয়ে দশজন ব্যক্তিহত্যা, করিমগঞ্জ এবং কাছাড়ের বিভিন্ন স্থানে এক বিশাল সংখ্যক নিরস্ত্র সত্যাগ্রহী জনতাকে নির্বিচারে লাঠি ও বুলেটে বিধ্বস্ত করা, সাধারন জনতার উপায় এবং পার্শ্ববর্তী ঘরবাড়িগুলিতে অমানবিক অত্যাচার, লাঠি ও ঘুসি দ্বারা পুরুষ নারী ও শিশুদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিতে নির্বিচারে আঘাত, একটি শিশুকে পুকুরে নিক্ষেপ, শিলচর স্টেশনের পাশে পুকুরে ঝাঁপি দিয়ে বাঁচার জন্য চেষ্টারত এক ব্যক্তিকে নৃশংস ভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলা এই ঘটনাগুলি কোনওটিই যুক্তিসঙ্গত ছিল না।
৫) ভারতীয় পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর ম্যানুয়ালে এটা স্পষ্ট লেখা আছে যে কোন অবস্থায় আর্মড পুলিশ এবং মিলিটারি নামানো যায় এবং একেবারে অন্তিম পরিস্থিতি, যখন আর জনতার নিরাপত্তা ও সম্পত্তি রক্ষা করা যাচ্ছে না তখনই গুলি চালানো যায়। আমাদের প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণাদি দ্বারা আমরা নিশ্চিন্ত যে গুলি চালানোর মতো কোনও পরিস্থিতিই তখন উদ্ভব হয়নি।
৬) আমরা নিশ্চিত যে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে দুই বাহিনী সুলিশ- যারা রেলওয়ে স্টেশন প্ল্যাটর্ফম এবং রেললাইন দাঁড়িয়েছিল- তারা কোনও পূর্বতন শর্ত ছাড়াই অনির্দিষ্ট, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং পাশবিকভাবে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছিল। যে সমস্ত পুলিশ কিংবা যে সরকারী কর্মচারী স্টেশনে উপস্থিত ছিল তারা কিংবা স্টেশন সংলগ্ন জনসাধারনের সম্পত্তি- কোনও কিছুই সেদিন এমন বিপদের সম্মখীন ছিল না যার জন্য গুলি চালানোর নির্দেশ দিতে হয়। এটা আমাদের স্থির করা সিদ্ধান্ত যে শান্তিপূর্ণ সত্যাগ্রহী, যারা স্টেশনের লাইনে স্কোয়াটিং করছিল কিংবা যে সমস্ত সাধারণ লোক যারা সত্যাগ্রহীদের দর্শন করছিল, তাদের ওপর হঠাৎ গুলি চালানোর কোনও কারণই ছিল না।
৭) সরেজমিন তদন্ত আমরা এটাও লক্ষ্য করেছি যে গুলি চালানোর ফলে স্টেশনের সন্নিকটস্থ এবং দূরবর্তী বাড়িগুলির ফেন্সিং, দেওয়াল এবং বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন উচ্চতায় গুলি ভেদ করে চলে গিয়েছিল। আমরা এও প্রমাণ পেয়েছি যে স্টেশন থেকে অনেক দূরবর্তী স্থানে ঘরের ভিতরে বারান্দা অথবা ষোল ফিট উঁচু জলের ট্যাঙ্কের উপরে আশ্রয়েচ্ছ লোককেও হত্যা করা হয়েছিল। আমরা নিশ্চিত যে হাঁটুর উপর এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হত্যা করার জন্যেই গুলি চালানো হয়েছিল। এমন অনেক আহত লোককে আমরা সাক্ষী হিসাবে পেয়েছি যাদের পিঠের দিকে গুলি লেগেছিল। এবং এটা বোঝা যায় ঐ লোকগুলো ঐ স্থান ত্যাগ করে চলে যাচ্ছিল, অথবা তারা বিন্দুমাত্র প্রতিরোধের চেষ্টাও করেনি।
৮) সত্যাগ্রহীরা নিজেরাই গ্রেপ্তার বরণ করছিলেন। সুতরাং গ্রেপ্তার করার জন্য কিংবা তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য কোনও প্রকার বলপ্রয়োগই প্রয়োজন ছিল না।”
৯) আমরা নিশ্চিত যে শিধু ও নারী পুরুষেরা সরে পড়ার কোনও সুযোগই পায়নি। শিলচর ও করিমগঞ্জে অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বালিকারা অমানবিক ভাবে নিগৃহীত হয়। অনেক মহিলার পোষাক ছিনিয়ে নেওয়া হয়, লাথি ও লাঠিচার্জ করা হয়।
১০) একটি শিশুকে কয়েকজন পুলিশকর্মী একটি পুকুরে নিক্ষেপ করে এবং যারা তাদেরকে ঐ কাজ থেকে নিবৃত্ত করতে যায়, তারাই নিগৃহীত হয়। শিলচর ও করিমগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ঘরবাড়ির ভেতরেও পুলিশ যায়, ঘরের আসবাবপত্র ইত্যাদি চুরমার করে ফেলে।
১১) আমরা যতদূর জানি ঐ সময়ে একজন ম্যাজিস্ট্রেট স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন কিন্তু গুলি চালানোর জন্য তাঁর কোনও সম্মতি নির্দেশ নেওয়া হয়নি। আমরা শিলচরের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলের বয়ান আসাম সরকারের দুটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ সমস্ত কিছু অনুধাবন করে এক বিরাট অসঙ্গতি লক্ষ্য করেছি। ঐ বিজ্ঞপ্তি সমুহের ভেতর দিয়ে এটা প্রতিয়মান যে দায়িত্ব এড়ানোর জন্যে এবং আসাম সরকারের উচ্চতর পর্যায়ের সরকারী কর্মচারীদের দুষ্কর্ম ঢাকাই এর উদ্দেশ্য। নিজেদের দায়িত্ব কিংবা স্থান পরিবর্তন ইত্যাদি সত্ত্বেও বিভিন্ন সরকারী কর্মচারীদের বক্তব্যের ভিতর দিয়ে আমরা এই স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত যে ১৯শে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে গুলি চালানো অপ্রয়োজনীয় অনাকাংক্ষিত ও অসঙ্গত ছিল।
১২) আমরা নিশ্চিত যে ঐদিন পুলিশ কর্তৃক জনসাধারণ কিংবা ‘নিজেদের রক্ষা’ কোন কিছু এমন বিপন্ন হয়নি যার জন্য গুলি চালাতে হয় এবং এক ‘মহৎ প্রেরনার’ বশবর্তী হয়েই অফিসারের আদেশ ছাড়াই সশস্ত্র বাহিনী গুলি চালায়।
১৩) আমরা নিশ্চিত যে কাছাড়ের বিভিন্ন স্থানে আসাম রাইফেল অথবা পুলিশ ফোর্স যেভাএব সাধারণ নিরস্ত্র শান্ত সত্যাগ্রহীদের উপর লাঠি ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে, সেগুলি সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল এবং ঐ শান্তিপূর্ণ সত্যাগ্রহীদের ছত্রভঙ্গ করতে ঐ রকম বাহিনী প্রয়োগের কোনও প্রয়োজনই ছিল না।
১৪) আমরা দাবী করি যে করিমগঞ্জে যে সমস্ত পুলিশ ও আসাম রাইফেল বাহিনী সত্যাগ্রহীদের নামে সাধারণ মানুষদের বাড়ি ঘর লুঠপাট করেছে, নষ্ট করেছে, তার জন্য আসাম সরকার কর্তৃক তাদেরকে আদালতে উপস্থিত করা উচিত। যদিও করিমগ্ণগঞ্জে পুলিশ গুলি চালায়নি, তবু সাধারণ নারী-পুরুষদের উপর, বিশেষত তরুনীদের উপর পুলিশের বর্বরোচিত ব্যবহার কাছাড়ের অন্য যে কোনও স্থান অপেক্ষা অশিক অমানবিক।
১৫) আমরা এটাও লক্ষ্য করেছি যে চূড়ান্ত প্ররোচনা এবং ‘আইনের রক্ষক, শান্তির বাহক’ (!!) পুলিশের বর্বরোচিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে কাছাড়ের জনসাধারণ যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ ব্যবহার করেছে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভকে বর্বরোচিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে কাছাড়ের জনসাধারণ যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ ব্যবহার করেছে এবং পুলিশের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভকে বর্বরভাবে প্রদর্শন করেনি।
১৬) আমরা স্থির সিদ্ধান্ত উপনীত যে অসমীয়া ভাষা প্রবর্তন ইত্যাদির বিরুদ্ধে আসামের এক শ্রেনীর লোকের যে জাগরণ তাকে দমনের জন্য আসাম সরকারের যে ভূমিকা তা শুধু ভাষিক সংখ্যালঘুদের মৌলিক অধিকারের উপরই আঘাত নয়, মানবিক অধিকার ধুলিসাৎ করার ও এক প্রক্রিয়া।
১৭) আধুনিক সমাজব্যবস্থায় এটাই স্থির করা আছে যে প্রত্যেক কার্যনির্বাহকই আইনের বিশাল ক্ষমতার প্রতি বিশ্বস্ত হবেন এবং যখন আইন ব্যবহার করবেন তখন আইনের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবেন। আমরা নিশ্চিত যে কাছাড় জেলার কার্য নির্বাহকরা ওই সীমা এত দূর অতিক্রম করেছেন যে তাদের ভারতীয় আইন ভঙ্গ কারী হিসেবে তাই করা যায়। আমর আসাম সরকার কে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।
১৮) যাঁরা মারা গেছেন যাঁরা আঘাত প্রাপ্ত হয়ে বিকলঙ্গ হয়েছেন, যারা অন্তত কিছুদিন অবধি কর্মহিন থাকতে বাধ্য হয়েছেন আমাদের মতে তাঁদের যেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া যায়।
১৯) উপসংহারে আমরা John Locke এর কথারই প্রতিধ্বনী করছি- “Just and moderate Governments are every where quite, every where safe but oppressions raises ferments and make men struggle to cast off uneasy and tyrannical yoke…. There is only one thing which gathers people into seditious commotions and that is oppression.”
নিজেকে প্রকাশের জন্য মানুষের মাতৃভাষার অধিকার এক মৌলিব মানবিক অধিকার। এই অধিকার কে অস্বীকার করা কিংবা দমনের মাধ্যমে এই অধিকর থেকে বঞ্চিত করা এর কোনটাই আসাম তথা ভারতের পক্ষে মঙ্গল হবে না।।
