
ধর্মে মুসলমান হওয়াটাই কি একমাত্র দোষ ছিল তাঁদের?
প্রমাণ নেই। তবু কারোর দাবি, গোমাংস খেয়ে এসেছেন ওই চার তরুণ। আবার কারোর মতে, ওঁদের ব্যাগেই আছে গোমাংস। স্রেফ সন্দেহের বশেই ট্রেনে অকথ্য অত্যাচার করা হল তরুণদের। ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হল স্টেশনে। মারা গেলেন এক তরুণ। বাকি তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
দিল্লি থেকে হরিয়ানার বল্লভগড়গামী ট্রেনের ঘটনা। জুনেইদ, হাশিম, শাকির মহসিন ও মইন – এই চার তরুণ ঈদের কেনাকাটা সেরে দিল্লির তুঘলকাবাদ থেকে ট্রেন ধরেন। ট্রেনে ওঠার পরেই তাঁদের ব্যাগে কী আছে, তা নিয়ে তর্ক শুরু হয় অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে। ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যও করা হয়। তরুণেরা প্রতিবাদ করলে, একদল যাত্রী চড়াও হয় তাঁদের ওপর। ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোও হয়। ট্রেনের বাকি যাত্রীরা পুরো ঘটনার সাক্ষী থাকলেও প্রতিবাদ করেনি কোনও। এরপর আশাবতী স্টেশনে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় তরুণদের। স্থানীয় লোকেরাই হাসপাতালে ভর্তি করে তাঁদের। সেখানে জুনেইদকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
প্রথমে রেল কর্তৃপক্ষ তেমন কোনও পদক্ষেপ না নিলেও, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে। পালওয়াল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এক অভিযুক্তকেও।
