
প্রাইভেট শিক্ষকেদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সুদীপ্তবাবু তাঁদের ফোন করে আবেদন জানান সন্ধে ছটার আগে না-পড়াতে
জিমনাস্টিকে জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় দু-বার সোনা জিতেছেন তিনি। যোগাসনেও তিনবার। শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকারের প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত খেলাধুলার পাঠক্রমের সিলেবাসে কয়েকটি শ্রেণীর জিমনাস্টিকের প্রাথমিক সিলেবাস তাঁরই তৈরি করে দেওয়া। সুদীপ্ত কুমার জানা। হুগলির কোন্নগরের মানুষ হলেও, কর্মসূত্রে শিলিগুড়ির বাণীমন্দির স্কুলে শারীরশিক্ষার শিক্ষক তিনি। স্কুলে গড়ে তুলেছেন খেলাধুলা ও শরীরচর্চার পরিবেশ।
খেলাধুলার ক্লাস এড়াতে কিছু ছাত্রছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার নাম করে তিনটার মধ্যে স্কুল থেকে বেরিয়ে যেত। প্রাইভেট শিক্ষকেদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে সুদীপ্তবাবু তাঁদের ফোন করে আবেদন জানান সন্ধে ছটার আগে না-পড়াতে। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়েছেন প্রাইভেট শিক্ষকরা। ফলে ছাত্রছাত্রীরাও মাঠমুখো হয়েছে আবার। স্কুলেও আসছে খেলাধুলার বিভিন্ন স্তর থেকে একের পর এক সাফল্য।
ছাত্রছাত্রীদের প্রতি চল্লিশোর্ধ সুদীপ্ত জানার আহ্বান, পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠকেও ভালোবাসে যেন তারা। কারণ খেলাধুলা শরীরকে সুস্থ ও নীরোগ রাখতে সাহায্য করে। প্রধান শিক্ষক প্রকাশ চন্দ্র রায়ের মতে, সুদীপ্তবাবু যেভাবে জাতীয় স্তরের খেলাধুলায় এই স্কুলকে এগিয়ে দিচ্ছেন, তা প্রশংসনীয়।
