আজও তাঁকে হাতছানি দিচ্ছে এভারেস্ট

১৯৯৩, ’৯৬, ’৯৮, ’৯৯ ও ২০০৩-এ শিখর ছুঁয়েছেন কুশাং

সাতবার এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করেছেন তিনি। সফল হয়েছেন পাঁচবার। কুশাং দর্জি শেরপা। তিনটি ভিন্ন দিক দিয়ে এভারেস্টে উঠে ইতিমধ্যেই বিশ্বরেকর্ড করেছেন। এখন, ৫৭ বছর বয়সেও এভারেস্টে ওঠার ইচ্ছে অটুট।

১৯৯২ সালে প্রথম লড়াই শুরু হয় তাঁর। সেবার ৮০০০ ফুট উঠেই ফিরে আসতে হয় কুশাংকে। তারপর আবার ১৯৯৩ সালে, সেবার সফল। এরপর ’৯৬ সালে দুই বার চেষ্টা করে একবার সাফল্যের মুখ দেখেন কুশাং। তারপর ’৯৮, ’৯৯ ও ২০০৩ সালে পরপর এভারেস্ট জয় করেন তিনি।

দার্জিলিং-এর লোয়ার বস্তির বাসিন্দা কুশাং জানান, সংসারের বিভিন্ন সমস্যা, অভাব অনটন সত্ত্বেও এভারেস্ট একাধিকবার জয় করে ইতিহাস সৃষ্টির ইচ্ছা ছিল ছোট থেকেই। তাঁর অন্যতম অনুপ্রেরণা তেনজিং নোরগে, যিনি প্রথম এভারেস্ট জয় করেছিলেন ১৯৫৩ সালে।  তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ জয় করতে হলে বারবার প্রয়াস নিলে তা সফল হবেই। তবে সেই অনুযায়ী মনকেও এভারেস্টের মতো বড় করে তুলতে হবে।

প্রসঙ্গত, আজ, ২৯ মে এভারেস্ট দিবস হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৫৩ সালে আজকের দিনেই এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথমবার এভারেস্ট জয় করেছিলেন।

Developed by DXDasia