চল্লিশ বছর ধরে ‘জাতা কহাঁ হো’ বাজছে ভয়েজার-২ থেকে
চল্লিশ বছর ধরে মহাকাশে ছুটে চলেছে সে। ভয়েজার-২। ১৯৭৭ সালের ২০ আগস্ট মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল, সঙ্গে একটি গোল্ডেন রেকর্ড – ‘দ্য সাউন্ড অব দ্য আর্থ’। তার মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন শব্দ, বিভিন্ন দেশের গান। রয়েছে ভারতের কেশরবাই-এর কণ্ঠে মার্গসঙ্গীতও।
গান বাছাইয়ের দায়িত্বে ছিল নাসার একটি বিশেষ কমিটি। সেই কমিটির চেয়ারম্যান কার্ল সাগানের স্ত্রী অ্যান ড্রুয়ান ১৯৭৮ সালে তাঁর ‘মারমারস অব আর্থ – দ্য ভয়েজার ইন্টারস্টেলার রেকর্ড’ বইতে লিখেছিলেন, ‘সেন্টার ফর ওয়ার্লফ মিউজিক’-এর একজিকিউটিভ ডিরেক্টর রবার্ট ব্রাউনের রেকর্ড ডিস্কের জন্য পছন্দের গানের তালিকায় সবার ওপরে ছিল কেশরবাই-এর ‘জাতা কহাঁ হো’ গানটি। ব্রাউন এও বলেছিলেন পরে, ‘যদি সবটা আমার হাতে থাকত, তা হলে পালঘাট মণি আইয়ারের পাঁচ তালের একক মৃদঙ্গও ওই রেকর্ডে রাখতাম।’
ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ডের প্রযোজক টিমোথি ফেরিসের বক্তব্য, ‘রেকর্ডের ওই অংশটাই আমার সবচেয়ে প্রিয়, যখন চিনের কুয়ান পিং হুর ‘ফ্লোয়িং স্ট্রিম’ শেষ হয়ে হিমালয়ের ধার ঘেঁষে সুর ভারতের কোলে এসে পৌঁছোয়। বেজে ওঠে খেয়াল। কে বলবে গায়িকা সত্তর বছরের বৃদ্ধা!’ কেশরবাই-এর খেয়াল ছাড়া, এই রেকর্ডে রয়েছে বাংলা, হিন্দি, গুজরাটি, কন্নড়, মারাঠি, তেলেগু ও উর্দু ভাষায় বিভিন্ন বার্তাও।