খাদ্যসঙ্কটে ত্রাতার ভূমিকায় ‘হু কেয়ার’

কালিম্পং-এ সোমবার আর মঙ্গলবার ডাল, ভাত আর সবজি খাওয়ানো হয় ক্ষুধার্তদের

হু কেয়ার নামে একটি সংগঠনের তরফে সোমবার থেকে কালিম্পং-এ শুরু হল খাবার বণ্টন। বনধের ফলে তৈরি হওয়া খাদ্যসঙ্কটের কারণেই তাদের এই উদ্যোগ। সাধারণ বহু মানুষ পাহাড়ে আছেন, যাঁদের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই। অথচ এইসব সাধারণ মানুষদের অনেকেই এখন না খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

শিলিগুড়ি সহ পাহাড়ে অনেকদিন ধরেই সেবা করে যাচ্ছে হু কেয়ার। এবার কালিম্পং-এ খাদ্যসঙ্কট মেটাতে মাঠে নামল তারা। সোমবার আর মঙ্গলবার ডাল, ভাত আর সবজি খাওয়ানো হল ক্ষুধার্তদের। সংগঠনটির তরফে অরুণা উন্তি জানান, বুধবার থেকে তাঁরা একবেলা দুপুর বারোটায় খাবার বিলি করবেন। ৫০০ জনকে তারা সোমবার খাবার দিয়েছেন। কালিম্পং-এর মোটর স্ট্যান্ডে দেওয়া হচ্ছে খাবার। যে-কদিন বনধ চলবে, খাবার বিতরণ চলবে। এদিকে শিলিগুড়ি থেকে ‘ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ক্রাইম কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন’-এর কর্মকর্তা রমেশ শা জেলা শাসক দলের কাছে আবেদন করে বলেছেন, পাহাড়ের আন্দোলন নিয়ে কোনও বক্তব্য না থাকলেও, সমতল থেকে খাবার পাহাড়ে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না, এতে পাহাড়ে খাদ্য সঙ্কট তৈরি হচ্ছে।

মন্ত্রী গৌতম দেব সোমবার শিলিগুড়িতে বলেন, তাঁরা পাহাড়ে খাবার পাঠাতে কাউকে বারণ করেননি। তবে এই অবস্থা তৈরির জন্য দায়ী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। পাহাড়ে অবিলম্বে বনধ প্রত্যাহার করে, শান্তির পরিবেশ তৈরি করা হোক, এমনটাই দাবি গৌতমবাবুর।

Developed by DXDasia