
মোর্চার অভিযোগ, গুলি চালিয়েছে পুলিশ
ফের উত্তেজনা কালিম্পং-এ। বুধবার কালিম্পং-এ মিছিল ছিল গোর্খা জনমুক্তি যুব মোর্চার। অভিযোগ, সেই মিছিলে অনেকেই কুকরি নিয়ে যোগ দেয়। আর এর মধ্যেই কালিম্পং-এর দশ মাইল এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয় সকাল এগারটার পর। আগুন লাগে একটি বিল্ডিং-এ। ঐ বিল্ডিং-এরই তিনতলায় তৃণমূলের অফিস। আর নিচতলায় একটি অফ শপ এবং একটি মুদিখানার দোকান। সেই অফ শপ আর দোকানের দরজায় আগুন লাগে। আগুন অনেকটা ছড়িয়ে পড়ে। ঐ বিল্ডিং-এর পাশ দিয়ে মোর্চার মিছিল যাওয়ার সময় আগুন দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও মোর্চা নেতৃত্ব আগুন দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে। মোর্চার সহ সাধারণ সম্পাদক বিনয় তামাং অভিযোগ করেন, পুলিশ এদিন কালিম্পং-এ গুলি চালিয়েছে। পুলিশের গুলিতে তাঁদের তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন। যদিও গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ। অবশ্য কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানোর কথা স্বীকার করেছে তারা। ঘটনার জেরে আহত হয়েছেন কয়েকজন পুলিশকর্মীও।
এ-দিন দার্জিলিং-এও মোর্চা কর্মীরা মিছিল বের করে। মিছিল থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করার পাশাপাশি পৃথক রাজ্য গঠনের দাবি করা হয়। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার পাহাড়ের সব দলের বৈঠক বসছে। সেই বৈঠক থেকে বনধ শিথিল করার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয় কিনা, সেদিকে তাকিয়ে আছেন অনেকে। মোর্চা সভাপতি বিমল গুরুং অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা বনধ প্রত্যাহার করতে চান না। তবে সর্বদলীয় বৈঠকে বনধ প্রত্যাহার নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে তা তিনি বলতে পারছেন না। পাহাড়ের সব দল ইতিমধ্যে গোর্খাল্যান্ডের আন্দোলন জোরদার করতে পৃথক কমিটি গঠন করেছে। যদিও এই দলের মধ্যে থাকা কয়েকজন নেতা পাহাড়ে চলতে থাকা বনধ ও হিংসার বিরোধী
