
সাংবাদিক এবং গোরু পাশাপাশি বেড়ে উঠবে
সাংবাদিক এবং গোরু পাশাপাশি বেড়ে উঠবে। মানুষের অচ্ছে দিন এল কি না তা নিয়ে রাজনীতিকদের মধ্যে মতবিরোধ আছে কিন্তু গোরুদের যে অচ্ছে দিন প্রায় এসেই গিয়েছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে মাখনলাল চর্তুবেদী রাষ্ট্রীয় পত্রকারিতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গোশালা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।শহরের বাইরে, প্রায় ৫০ একর জমি নিয়ে তারা গোরুদের জন্য দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করা। সেখানেই এই গোশালা আর চাষের ক্ষেত তৈরি করার।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিজকিশোর কুঠিয়ালা আরএসএসের মনের মানুষ এবং খুবই ঘনিষ্ঠ। সেজন্যই গোরুদের জন্য দ্বিতীয় ক্যাম্পাস? কর্তৃপক্ষ তা মানতে নারাজ। তাদের মত, "এই গোশালা থেকে ছাত্রছাত্রীরা দুধ, দই, মাখন খেতে পারবে।”
উপাচার্য অবশ্য বলেছেন, তিনি আরএসএসের এক জন কর্মী, এর জন্য তিনি গর্বিত।
কলেজের এক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘সরকার হয়তো ভাবছে গোরুদের দিয়ে সাংবাদিকতা করালে সরকারের পক্ষে পজিটিভ রিপোর্টিং হবে, সেকারণেই হয়তো এমন সিদ্ধান্ত। এর পর হয়তো গোরুদের অ্যাডমিশনও দেওয়া সাংবাদিকতার ক্লাসে’!
