
চন্দননগরে বিধবা ও বয়স্কা মানুষদের হাতে সরকারি ভাতা প্রাপক অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হল
রাজনীতি মানে কি রাজার নীতি? নাকি আমজনতার সঙ্গে মিশে প্রত্যেকের কথা শোনা ও বোঝার নীতি? অভিধানে কিছু কিছু শব্দ আছে, যার ব্যাখ্যা করলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার সম্মুখীন হতে হয়। সঙ্গে চলে আসে অনেকগুলি প্রশ্নও। হুগলি জেলার অত্যন্ত প্রাচীন এবং সাজানো-গোছানো শহর চন্দননগর। যে শহরের সঙ্গে মিলেমিশে আছে সেখানকার সংস্কৃতি। আজ চন্দননগরের মেরী মাঠে শহরের বিধবা এবং বয়স্কা মানুষদের হাতে সরকারি ভাতা প্রাপক অনুমোদনপত্র তুলে দেওয়া হল। এই অনুমোদনপত্র তুলে দিলেন চন্দননগরের মাননীয় বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী (তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং পর্যটন) ইন্দ্রনীল সেন।
অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোর কাছাকাছি পৌঁছে ইন্দ্রনীলবাবুকে বলতে শোনা গেল, “আপনাকে উঠতে হবে না, আমি আসছি”। তারপর তাঁদের হাতে হাত রাখছিলেন, তুলে দিচ্ছিলেন বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা অনুমোদনপত্র। রাজ্যের বয়স্কা এবং বিধবাদের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরই অনুপ্রেরণায় এবং চন্দননগরের বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেনের উদ্যোগে এই প্রয়াস প্রশংসার দাবি রাখে। চন্দননগর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রচুর মানুষ এখন নতুন করে দিশা দেখছেন, বাঁচতে চাইছেন। এমন একটি হাত পেলে হয়তো গড়ে উঠবে নতুন শহর, ভালোবাসার ঐকতান।
