
বাংলায় থাকব আর বাংলা ভাষা জানব না, বাংলায় পড়ব না, তা হবে না
জামাইষষ্ঠীর দুপুরে টাউনহলে রাজ্যের বেসরকারি স্কুলের কর্তাব্যক্তিদের ডেকে ‘জামাই আদর’-এর এটাই ছিল চিত্রনাট্য।ফি নিয়ে কারও উত্তর পাঁচ লাখ, কারও আড়াই লাখ শুনে বললেন, এত টাকা দিয়ে সাধারণ ঘরের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া করা সম্ভব? এরপরই ফি নির্ধারণে একটি সেলফ রেগুলেটরি কমিটি গড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। কমিটিতে সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন শিক্ষা সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতা পুলিশের কমিশনার।প্রতি জেলা থেকে থাকছেন একজন ডিপিও। লা মার্টিনিয়ার, মডার্ন হাই, সেন্ট জেভিযার্স, হেরিটেজ, ডিপিএস, শ্রীশিক্ষায়তন, লরেটো, সেন্ট লরেন্স এবং সাউথ পয়েন্ট স্কুলগুলির প্রতিনিধিদেরও কমিটিতে রাখা হয়েছে। থাকবেন দু’জন আর্চবিশপও।
এখানেই শেষ নয়, প্রশ্ন তুললেন বেসরকারি স্কুলগুলোয় বাংলা না পড়ানো নিয়ে। বললেন,‘বাংলায় থাকব আর বাংলা ভাষা জানব না, বাংলায় পড়ব না, তা হবে না’।
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া ধমকের সামনে মুখ খুলতে ইতস্তত করছিলেন স্কুলের প্রতিনিধিরা। কেবল বিপুল অঙ্কের ডোনেশনই নয়, সামার ক্যাম্প ও নানা ছুতোয় স্কুলগুলির অভিভাবকদের কাছ থেকে টাকা তোলার সমালোচনায় মুখর হন মমতা।
