
ভবিষ্যতে প্রশাসনিক অফিসার হতে চায় অরিত্র
একসময় ঘরের মধ্যে হামাগুড়ি দিয়ে চলাফেরা করতে হত তাকে। এখন হামাগুড়ি দিতে না হলেও, চলাফেরায় কষ্ট কমেনি খুব একটা। অরিত্র রায়। উচ্চমাধ্যমিকে ৫০০-এর মধ্যে ৪১৪ নম্বর পেয়ে সকলের নজর কেড়েছে সে।
শিলিগুড়ি শক্তিগড়ের বাসিন্দা অরিত্র-র জন্ম হয়েছিল ফরসেপের মাধ্যমে। তখনই মাথায় চোট লেগেছিল তার। সেই থেকেই সেরিব্রাল পালসি। এবং লড়াই শুরু প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে। একসময় তাকে কোলে করে স্কুলে পৌঁছে দিতেন বাড়ির লোক। এখন ফিজিওথেরাপি ও মনের জোরে অবস্থার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। কিছুটা হলেও হাঁটতে পারে অরিত্র। তার ইচ্ছে ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় বসে প্রশাসনিক অফিসার হওয়ার। এখন থেকেই শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতি। অরিত্র-র বাবা অপূর্ব রায় জানান, জন্মের পর অরিত্র-র মাথায় অক্সিজেন কমে যাওয়ার পর থেকেই ও প্রতিবন্ধী। অরিত্র-র এই রেজাল্ট স্কুলের শিক্ষকদের কাছেও বিস্ময়ের। অরিত্র-র ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হোক, এই-ই প্রার্থনা এখন সকলের।
