
ছয় ছাত্রীর তৎপরতায় বন্ধ হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বিয়ে
ছয় ছাত্রীর উদ্যোগে বন্ধ হল নাবালিকার বিয়ে। এরা মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এই স্কুলেরই দশম শ্রেণীর ছাত্রী রফিজা খাতুনের বিয়ে ঠিক করেছিল বাড়ির লোকজন। মঙ্গলবার ছিল বিয়ে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর শুনে বিয়েবাড়িতে গিয়ে হাজির হয় রূপজান ঘরামি, আরশিদা খাতুন, রাহেবা খাতুন, মরিয়ম বৈদ্য, বিলকিস মণ্ডল ও তসলিমা খাতুন-রা। রফিজার বাবা-মাকে তারা বোঝাতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, অভাবী সংসারে পড়াশুনা করানো সম্ভব হচ্ছে না। রাহেবা, রূপজান, তসলিমা-রা বারবার রফিজার বাবা-মাকে অনুরোধ করায় জোর করে বের করে দেন বাড়ির লোকজন।
রফিজা লালপুর গ্রামপঞ্চায়েতের চিত্রিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। পড়াশুনায়ও বেশ ভালো। বন্ধুর জীবন বাঁচানোর জন্য মেয়েরা প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে পৌঁছে যায় কৃষ্ণচান্দ্রপুর হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষক চন্দন মাইতির বাড়িতে। কয়েকদিন আগে এই শিক্ষকই রূপজানের বিয়ে রুখেছিলেন। চন্দন মাইতি, রফিজার বাবা-মাকে কন্যাশ্রী প্রকল্প সম্পর্কে জানান এবং স্কুল তার পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেন। এখন থেকে স্কুলের হস্টেলে থেকেই পড়াশুনা করবে রফিজা।
