
ইটগুলো সাধারণ ইটের থেকে বেশী শক্ত এবং তুলনামূলকভাবে অনেক কম তাপ বিকিরণ করে
উড়ো ছাই থেকে তৈরি ইট। এই ইটগুলো সাধারণ ইটের থেকে বেশী শক্ত এবং তুলনামূলকভাবে অনেক কম তাপ বিকিরণ করে – এমনটাই জানিয়েছে আইআইটি খড়গপুর ও ন্যাশানাল টেস্ট হাউস। এই ইটগুলো যে ইটভাঁটায় তৈরি হয়, তা অপেক্ষাকৃত কম দূষণকারী ও কমজায়গায় ধরে যায়। এমন কয়েকটা ইটভাঁটা তৈরিই লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের।
এই নতুন ইটভাঁটাগুলো তৈরি হবে পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডাল, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি ও বীরভূম জেলার বক্রেশ্বরে। আরও তিনটে নতুন ইটভাঁটা তৈরি হবে নদীয়া জেলায়।
উড়ো ছাই থেকে ইটভাঁটায় ইট উৎপাদন শুরু হয় আজ থেকে দু’বছর আগে। মালদায় প্রথম এই ধরনের ইটভাঁটা চালু হয়। এই মুহূর্তে রাজ্যে ১০টি ইটভাঁটা আছে – দুটি বাঁকুড়ায়, তিনটি নদীয়ায়, দুটি পূর্ব মেদিনীপুরে ও একটি করে পুরুলিয়া, মালদা ও হুগলিতে। এই সবকটি ইটভাঁটা চালাবে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠী।
এই ইট তৈরির কাঁচামাল, মানে ছাই-এর যোগান দেবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি ইট তৈরি করতে খরচ পড়বে ২টাকা, যা বিক্রি করা হবে ৪ টাকা করে। যেখানে বাজারে ইটের দাম ৮ টাকা থেকে ১২ টাকা।
পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে এই ইট ব্যাবহার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রচার চালানো হচ্ছে এই ইট ব্যবহার করার জন্য।
