রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

হাওড়ার উদয়ণারায়ণপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। প্লাবিত ৯০টি গ্রাম

ভারি বৃষ্টি না হলেও অল্প মাঝারি বৃষ্টি চলছে কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। মাইথন ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া না হলেও পাঞ্চেত থেকে দফায় দফায় ছাড়া হচ্ছে জল। নদীগুলির জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় ভাঙছে ব্রিজ। দামোদর, নুনিয়ার জলে ভেঙেছে রাণিগঞ্জের সেতু। ফলে বিরাট, দামালিয়াসহ ১০টি গ্রাম প্লাবিত। যোগাযোগ ছিন্ন হয়েছে এই গ্রামগুলির সঙ্গে। ভেঙেছে মুণ্ডেশ্বরী নদীর বাঁধও। রূপনারায়ণ নদীর উপর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হুগলির আরামবাগ, খানাকূল-১, খানাকূল-২ সহ বিস্তৃত এলাকা। বর্ষার জলে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দ্বারকেশ্বর, মুণ্ডেশ্বরী, কংসাবতী, রূপনারায়ণের মত নদীগুলি। হাওড়ার উদয়ণারায়ণপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। প্লাবিত ৯০টি গ্রাম।

এইদিন হাওড়ার বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যা পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে আমতায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।তিনি জানান, ডিভিসি-র জল ছাড়ার ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে রাজ্যে। নদী ও ব্যারেজগুলি সংস্কার করা হচ্ছে না। তাই এই নদীগুলির জলধারণ ক্ষমতা কমছে। বিশ্বব্যাঙ্কের সাহায্যে নদীগুলির সংস্কারের স্বার্থে একটি প্রকল্প গড়ে উঠতে চলেছে বলেও জানান তিনি।

সকাল থেকেই ড্রোনের সাহায্যে বন্যার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে হয়েছে। এখানে বন্যার পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। জলস্রোতে ভেসে মৃত্য হয়েছে একজনের। জেলাপ্রশাসনের তরফ থেকে পাঠানো হচ্ছে ত্রান চলছে উদ্ধার কার্য। জল বাহিত রোগ যাতে না ছড়ায় তার জন্য গ্রামে গ্রামে মেডিক্যাল টিম পাঠানো হচ্ছে।

Developed by DXDasia