
কাউন্টারগুলিতে সব ধরনের মাছই পাওয়া যাচ্ছে
স্থানীয় মাছ চাষিদের উৎসাহিত করতে উত্তরবঙ্গের বিভিন্নস্থানে মাছ বিক্রির কাউন্টার খুলছে রাজ্যের মৎস্য দফতর। ফাঁসিদেওয়া থানার অন্তর্গত ফিসারম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটির পরিচালনায় একটি মাছ বিক্রির কাউন্টার খোলা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের মৎস্য দফতরের অতিরিক্ত অধিকর্তা আর ফোনিং লেপচা জানিয়েছেন, শিলিগুড়ি ছাড়া ডুর্য়াসের বারবিশা ও কালচিনিতে দু'টি মাছ বিক্রির কাউন্টার খোলা হয়েছে। কোচবিহারের শীতলকুচি, তুফানগঞ্জ, দিনহাটা মিলিয়ে সাতটি কাউন্টার খোলা হয়েছে। এরফলে বহু মাছচাষি উপকৃত হচ্ছেন।
সম্প্রতি শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার মৎস্য দপ্তরের গায়েই চালু হয়েছে একটি কাউন্টার। কাউন্টার খোলা থাকে সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। ফাঁসিদেওয়া থানা ফিসারম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটিতে ৪০০ জন মাছচাষি রয়েছে। পুকুর, নদী, চাষেরজমি থেকে মাছ ধরে এনে বিক্রি করা হয় বলে কাউন্টারে পাওয়া যায় অনেক স্থানীয় মাছ। বাজার দর থেকে কম দামে। মাছ বিক্রেতা হরিচরণ সাহানি জানালেন, তারা তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে এই কাউন্টার থেকে মাছ বিক্রি করছেন। তাতে অনেক জেলের মুখে হাসি ফুটেছে। মানুষ তাজা মাছও পাচ্ছেন। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়াম লাগোয়া অঞ্চলে শিলিগুড়ি মৎস্য দপ্তরের কাউন্টারে লেখা রয়েছে, এখানে সুলভে বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় মাছ যেমন রুই, বাটা, কাতল, শিং, মাগুর, শোল, নদিয়ালি পাওয়া যায়। মৎস্য দফতরের আধিকারিক জানালেন, তারা এই কাউন্টারে মাটিগাড়ার কিছু আদিবাসী জেলেদের মাছ নিয়ে আসার জন্যও উৎসাহ দিচ্ছেন। মাটিগাড়ার হাতঝরা জোতে ৩৩ জন আদিবাসী জেলে পুকুর তৈরি করে মাছ ধরছে। তাদের মাছ বিপননের পুরো ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জলপাইগুড়ি জেলায় এই রকম মাছ বিক্রির কাউন্টার না খোলা হলেও মাছ বিক্রি করার জন্য বাক্স দেওয়া হচ্ছে মৎস্য দফতরের উদ্যোগে।
