
উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সারাদিন চলবে মোট ১৪ জোড়া ট্রেন
কথায় আছে, ‘আশায় বাঁচে চাষা’। বাংলাদেশের মানুষকে এতদিন এই প্রবাদবাক্যটি বেশ ভাবাত। এবার যেন নতুন করে আশার আলো দেখছেন বাংলাদেশের মানুষ। কারণ জোর কদমে চলছে ঢাকা মেট্রোরেলের কাজ। মেট্রোর কাজটি শেষ হলে ঢাকার রাস্তায় ভয়াবহ জ্যাম কমবে অনেকাংশে। ঢাকার উত্তরা এলাকায় দেখা যাচ্ছে, খুঁটি তোলার জন্য মাটি খোঁড়া হচ্ছে। কোথাও আবার এক্সকাভেটর দিয়ে তোলা হচ্ছে রাস্তার ওপরের পিচ। তৈরি করা হচ্ছে ভায়াডাক্ট। দিয়াবাড়ি, পল্লবী, তালতলা, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও এলাকায় জোরকদমে কাজ চলছে।
জানা গিয়েছে, উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার রেলপথ আগামী বছরের ডিসেম্বরে চালু হতে চলেছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে মেট্রো চালু করা সম্ভব হবে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ হবে বসানো হবে থামের উপর। ঘণ্টায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী বহন করা হবে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রেলস্টেশন থাকবে ১৬টি। সারাদিন চলবে মোট ১৪ জোড়া ট্রেন। প্রতি ট্রেনে থাকবে ছ’টি করে বগি। একটি ট্রেনে ৯৪২ জন যাত্রী বসে এবং ৭৫৪ জন দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে পারবেন। চার মিনিট অন্তর ট্রেন ছাড়বে। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত যেতে সময় লাগবে ৩৭ মিনিট। জাপান থেকে ট্রেনগুলির ইঞ্জিন, কোচ ও রেললাইন কেনা হচ্ছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা। ট্রেনের রং হবে লাল-সবুজের। ২০০৯ সালে প্রকল্পটির প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। অনুমোদন পায় ২০১২ সালের জুনে। এরপর ২০১৬ সালের ২৬ জুন এই প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
