একসময় অস্ত্র কেনার জন্য গোপনে অর্থ সাহায্যও করতেন বিপ্লবীদের
সিনেমা হল যখন বদলে যায় জুতোর শোরুমে
প্রধান বাগানবাড়িগুলি ছিল নীলগঞ্জ রোডের আশেপাশেই, দেঁতে খালকে কেন্দ্র করে
সোনাদা ঘোর উন্মাদ। বাউল-ফকিরদের নিয়ে পড়ে থাকত দিনের পর দিন।
শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগর মুরালিগঞ্জ হাই স্কুলএর এই বিস্ময়কর অগ্রগতি সত্যিই প্রশংসনীয়
মুর্শিদাবাদের নিজস্ব টাকশালে তৈরি মোহরের হালহকিকত
মরে যাওয়া বুড়ো গাছটাই বাঁচছে ফের। তাকে বাঁচিয়ে রাখছে বনের অন্যান্য গাছ।
পুঁথিটি কি কাশীরাম দাসের লেখা? নাকি অন্য কারো? গোয়ালঘর থেকে কীভাবেই বা
আমাকে একদিন বললেন, ৮০টা ডনে কিস্যু হবে না, অন্তত ৮০০টা দিতে হবে
সামান্য যন্তরের কী এমন গুণ যে যাজককেও নাচায়!
সুর হল দুদিনে। স্বরলিপি করে দিলেন শান্তিদেব ঘোষ
বিস্মৃতপ্রায় কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে দু-চার কথা