পাহাড়ে বন্‌ধের আওতার বাইরে আসুক হোমস্টে

যাওবা ট্যুরিস্ট আসছেন উত্তরে, সবারই গন্তব্য ভুটান ও পূর্ব নেপাল

দার্জিলিং, তরাই, ডুয়ার্স মিলিয়ে হোমস্টে রয়েছে প্রায় ১৩০০টি। এগুলির মধ্যে পাহাড়ের সব হোমস্টে বন্ধ। ফলে ক্ষতির মুখে হাজার হাজার হোমস্টে মালিক ও কর্মী। অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজারভেশন ট্যুরিজম্‌-এর আহ্বায়ক রাজ বসু জানান, জরুরি অবস্থার ভিত্তিতে ট্যুরিজমকে বন্‌ধের আওতার বাইরে রাখার জন্য আন্দোলনকারীদের কাছে চিঠি দিয়েছেন তাঁরা। চিঠি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের সরকারকেও।

আশির দশকের শেষ থেকেই দার্জিলিং পাহাড় উত্তর-পূর্ব ভারতে পর্যটনের প্রসারের জন্য কাজ করে চলেছেন রাজ বসু। এ-জন্য শতাধিক পুরস্কারও পেয়েছেন দেশ-বিদেশ থেকে। সিকিম থেকে শুরু করে দার্জিলিং পাহাড়ে হোমস্টে তৈরির প্রয়াস নিয়েছিলেন তিনিই। দার্জিলিং-এর তিনচুলে-তে ভারতের প্রথম হোমস্টে শুরু হয়েছিল তাঁরই উদ্যোগে, ১৯৯৬ সালে। নেপালের রাজার কাছ থেকে বিশেষ পুরস্কারও পান ১৯৯৮-তে। পর্যটন নিয়ে ধারাবাহিক কাজ করার জন্য সিকিম সরকারের পর্যটন বিভাগের উপদেষ্টার পদে তিনি নিযুক্ত আজ। রাজবাবুর কথায়, বন্‌ধ শুরু হওয়ায় পাহাড়ে পর্যটনে কত ক্ষতি হয়েছে তার হিসেব না হলেও, হোমস্টের ক্ষতি হয়েছে দু-কোটি টাকার ওপর। এখন ডুয়ার্সের রাজাভাতখাওয়া, মাদারিহাট, নকশালিবাড়ির লোহাগড় – এমন হাতে গোনা কয়েকটি হোমস্টে খোলা রয়েছে। কিন্তু ট্যুরিস্ট নেই সেখানেও। যাও বা ট্যুরিস্ট আসছেন, সবারই গন্তব্য ভুটান ও পূর্ব নেপাল। পুজোর সময়ের বুকিং-ও বন্ধ। ফলে হোমস্টের ব্যবসা পড়তির মুখে। এই কারণেই বন্‌ধের আওতার বাইরে হোমস্টেগুলিকে রাখার জন্য সোচ্চার তিনি।

Developed by DXDasia