ছবিমহল উৎসর্গ করা হল নিমাই ঘোষকে। রইল তাঁর তোলা আটটি ছবি…
ছবির ফ্রেম কথা বলে। সেই মুহূর্তে সেই অবস্থানে যা যা ঘটছে তার একটা ধারাবিবরণী থাকে ছবিতে। ছবি – ফটোগ্রাফ – আলোকচিত্র – স্থিরচিত্র – যা খুশি হতে পারে। আসলে শিল্পের মজা এখানেই। ঠিক যেমন কিংবদন্তি আলোকচিত্রী নিমাই ঘোষের ছবি নিয়ে খানিক গবেষণা করলে আমরা পেয়ে যাব সাদা-কালোর আশ্চর্য এক ধূসর জগৎ। কল্পনাদীপ্ত বিভাজনের নানা মাত্রার বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তি ও পরিবেশের ভেতর বাস্তবোত্তীর্ণ অনির্বচনীয় এক পরিমণ্ডল গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।
ট্যাক্সির মধ্যে হঠাৎই কুড়িয়ে পাওয়া একটি ক্যামেরা দিয়ে তাঁর ছবি তোলা শুরু। সত্যজিৎ রায়কে যিনি ফ্রেমবন্দি করে ‘আনকাট সত্যজিৎ’ হিসাবে বিশ্বের সামনে পৌঁছে দিয়েছিলেন, তিনি নিমাই ঘোষ। একদিন হঠাৎ করেই খবর পেলেন সত্যজিৎ রায় ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’-এর শুটিং করছেন বোলপুরে। ক্যামেরা নিয়ে চলে গেলেন নিমাই। সেটা ছিল রিহার্সাল। সত্যজিৎ রায়কে সেই প্রথম ক্যামেরাবন্দি করা।
সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছেন এই কিংবদন্তি। আজকের ছবিমহলের ৬৪তম পর্ব উৎসর্গ করা হল নিমাই ঘোষকে। তাঁর তোলা আটটি ছবি দিয়ে সাজানো হল আজকের গ্যালারি। ছবিগুলি বিভিন্ন অন্তর্জাল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

অরণ্যের দিনরাত্রি (১৯৭০)। সাঁওতাল মেয়েটি ব্যস্ত তাঁর নিজস্ব কাজে।

সত্যজিৎ রায়। তাঁর চেনা আভিজাত্য ধরা পড়েছে নিমাই ঘোষের ক্যামেরায়।

অশনি সংকেত (১৯৭৩)। ফ্রেমে রয়েছেন গঙ্গাচরণ চক্রবর্তী ওরফে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

চাহনি। রায় সাহেব তাঁর নিজস্ব মেজাজে।

চরিত্রের পিছনে দৌড়াচ্ছেন পরিচালক এবং চিত্রগ্রাহক। মোশন ব্লারে মুহূর্তটি ধরলেন নিমাই ঘোষ।

বেনারসের শুটিং-এ রায়সাহেব।

সীমাবদ্ধ (১৯৭১)।

আলোকচিত্রী- নিমাই ঘোষ।