দিনযাপনে বাছাই করা খবর
শরৎচন্দ্রের বাড়িকে ঘিরে দেউলটিতে তৈরি হচ্ছে ‘শরৎ অরণ্য’
দেউলটির পানিত্রাস এলাকায় পর্যটক টানতে এলাকাকে আকর্ষণীয়ভাবে সাজাতে চায় হাওড়া জেলা পরিষদ। তার কারণ এখানেই জন্মগ্রহণ করেন কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। রূপনারায়ণ নদের পাড়ে ছয় বিঘা জমি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। যেখানে গড়ে তোলা হবে ‘শরৎ অরণ্য’। এর জন্য রাজ্য পাঁচ কোটি টাকা দেবে জেলা পরিষদকে। আগামীদিনে প্রকৃতি পর্যটন হিসেবে কলকাতার বেশ কাছে এই জায়গাটিকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হলে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও উপার্জনের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে আশাবাদী সরকারি কর্তারা। রূপনারায়ণের পাড় ধরে সৌন্দর্যায়ন হবে এবং প্রয়োজনে কোথাও কোথাও বাঁধানো হবে। নদী, গাছপালা, পাখপাখালি—এই তিনের সহাবস্থানে এখানে গড়ে তোলা হবে প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র। শরৎচন্দ্রের বাড়িকে ঘিরেই গড়ে উঠবে এই শরৎ অরণ্য।

শিল্পায়নের লক্ষ্যে বেনজির উদ্যোগ রাজ্যের, মাত্র ১ টাকা সেলামিতে মিলবে জমি
শিল্পে উৎসাহ দিতে বিশেষ ছাড় আনল রাজ্যের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। কারখানার মূল মালিক নিজের জমিতে কৃষি নির্ভর শিল্প, গবাদি পশুর ফার্ম, মাছ চাষ, পোল্ট্রি কিংবা তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প গড়লে মাত্র ১ টাকা সেলামি দিতে হবে লিজের জন্য। জমি হাতবদল হলে এই শিল্পগুলির জন্য নতুন মালিক দেবেন বাজারমূল্যের ১০ শতাংশ সেলামি। আগে তা ছিল ২৫ শতাংশ। পুরোনো বা বন্ধ কারখানার জমিতে এই শিল্পগুলি গড়লে বর্তমান মালিককে বাজারমূল্যের ১৭ শতাংশ অর্থ দিতে হবে। আর বন্ধ কারখানার জমিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ইত্যাদি স্থাপন করলে দেবেন মাত্র ৭ শতাংশ। আরও কয়েকটি শিল্পে সেলামির ক্ষেত্রে ছাড় দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। এছাড়া, পরিবেশ সংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারণে আদালত বা সরকার যদি শিল্প বন্ধের নির্দেশ দেয়, তাহলে মালিকপক্ষ পাবে অন্য জায়গায় একই পরিমাণ জমি। তার জন্য অবশ্য বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানার শ্রমিকদের নতুন কারখানায় ফের নিয়োগ করতে হবে।

রুপোলি পর্দায় পা রেখেছিলেন হিন্দি সিনেমার মাধ্যমে, দাপুটে গায়কও ছিলেন পাহাড়ী সান্যাল
ছোটোবেলায় বাবা নৃপেন্দ্রনাথের গাওয়া গান মুগ্ধ হয়ে শুনতেন পাহাড়ী সান্যাল। ১৯০৬ সালে জন্ম হয় তাঁর। পিতৃহারা হন ১০ বছর বয়সে, মাকে হারিয়েছিলেন তার আগেই। কৈশোরের একটা বড়ো অংশ কেটেছে লখনৌতে। তাই সংগীতচর্চার উপযুক্ত পরিবেশ সহজেই পেয়ে গিয়েছিলেন। ওখানকার সেরা ওস্তাদদের কাছে তালিম নিয়েছিলেন, গান শিখেছিলেন অতুলপ্রসাদ সেনের থেকেও। এভাবেই হয়ে ওঠেন দাপুটে গায়ক। অতুলপ্রসাদ মারা যাওয়ার পর পাহাড়ী সান্যাল অভিনয়ের জগতে চলে আসেন। তাঁর আসল নাম অবশ্য ছিল নগেন্দ্রনাথ সান্যাল। হিন্দি সিনেমার মাধ্যমেই রুপোলি পর্দায় পা রেখেছিলেন। সাবলীলভাবে হিন্দু এবং উর্দু বলতেন, তাই হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করতে সমস্যা হয়নি। পাশাপাশি, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষাতেও ছিলেন দক্ষ। বাংলা সিনেমাতেও তিনি সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। পাশে উত্তমকুমার থাকুন বা তুলসী চক্রবর্তী – তাঁর অভিনয় ছিল নজর কাড়ার মতো। সত্যজিৎ রায় বা রাজ কাপুরের মতো ব্যক্তিত্বদের সঙ্গেও তিনি কাজ করেছেন। ১৯৭৪ সালে প্রয়াত হন পাহাড়ী সান্যাল। আজ তাঁর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।