জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ফাঁদে ব্যাহত মাছের জীবনচক্র

নদীর স্রোত কমে যাওয়ায় মাছেরা ডিম পাড়তে পারছে না

দার্জিলিং পাহাড়ের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নদীর জল নিয়ন্ত্রণ করায় পাহাড়ি নদীর মাছের জীবনচক্র ব্যাহত হচ্ছে। নদীর স্রোত কমে যাওয়ায় মাছেরা ডিম পাড়তে পারছে না। হারিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের মাছ। অথচ বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ করা সম্ভব নয়। অবস্থা সামাল দিতে গত দুই বছরে রাজ্য মৎস্য দপ্তর হিমাচল প্রদেশ এবং নেপাল থেকে ৪৭ লক্ষ টাকার পাহাড়ি নদীর মাছের পোনা এনে জলঢাকা, তিস্তা, রঙ্গিত, গেলিখোলা ,রিয়াং সহ বিভিন্ন পাহাড়ি নদীতে ছেড়েছে।

মৎস্য দপ্তরের অফিসাররা জানিয়েছেন, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়তে থাকায় নদীতে পাহাড়ের গোল্ডেনমহাশের, আসালা সহ আরও অনেক মাছের স্বাভাবিক গতি হারিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৩৫ প্রজাতির মাছ পাহাড়ি নদীতে পাহাড়ি পরিবেশে তাদের বংশ বৃদ্ধি করতে পারছে না। তারা ডিম পাড়তে পারছে না। বিলুপ্ত অনেক মাছ নিয়ে ইতিমধ্যে পরিবেশবিদ সহ আরও অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শিলিগুড়িতে রাজ্য মৎস্য দপ্তরের সহ অধিকর্তা আর ফোনিং লেপচা এই সমস্যার দিকটি স্বীকার করেছেন। তিনি জানালেন, জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জেরে পাহাড়ি নদীতে অনেক মাছ বিপন্ন। তাই এই মাছ ছাড়া রাজ্যমৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে। প্রায় তিন লক্ষ মাছের পোনা ছাড়া হয়েছে এই সব পাহাড়ি নদীতে। পাহাড়ের পাশাপাশি সমতলেও নদীতেও ছাড়া হয়েছে বোরলিসহ অন্য কিছু মাছের পোনা।

Developed by DXDasia