
ইতিমধ্যেই লিফলেট বিলি শুরু করেছে পুরসভা
ডেঙ্গু আতঙ্কে ভুগছে শিলিগুড়ি। মঙ্গলবার পর্যন্ত জেলা স্বাস্থ্য দফতরের হিসাবে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৭ ছাড়িয়েছে। মারা গিয়েছে দুইজন। শহরজুড়ে তাই এখন প্রচারে নেমেছে পুরসভা ও স্বাস্থ্য দপ্তর। পুজোর মুখে ডেঙ্গু ছড়াতে থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে। বুধবারও ডেঙ্গু মোকাবিলায় কী করণীয়, তা নিয়ে পুরসভা ও স্বাস্থ্য দপ্তর বৈঠক করল। পুরসভা নেমেছে সাফাই অভিযানে। সব ওয়ার্ডেই মশামারার তেল স্প্রে শুরু হয়েছে।
এদিন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু সচেতনতায় মিছিল বের হয়। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার অসিত বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুরসভার ৪, ৫, ১২, ১৫, ১৬ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে বেশি করা ডেঙ্গু আক্রান্তের খবর তাদের কাছে বেশি আসছে। একই বাড়িতে তিন চারজন করে আক্রান্ত হচ্ছে। রবিবার তারা শহরের সব ডাক্তারকে নিয়ে একটি বৈঠকও ডেকেছেন বলে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন। অতীতের রেকর্ডকে ছাপিয়ে এবার শিলিগুড়িতে ডেঙ্গু বেশি বলে উদ্বেগ আরও বেশি স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে। তাদের মতে, শহরের নদীগুলোতে দূষণ হচ্ছে। অনেক নদীতে জমে থাকা পরিষ্কার জলে মশার বংশবৃদ্ধি ঘটছে। তাছাড়া বহু বিল্ডিং-এ নির্মাণকাজের সময় অনেক পাত্রে জল জমছে। বহু ফ্ল্যাটের ফুলের টবে জমে থাকা জলে মশা বংশবৃদ্ধি করে যাচ্ছে। তার সচেতনতা একটি বড় বিষয়।
পুরসভা ইতিমধ্যে লিফলেট বিলি করছে। পড়ে থাকা টায়ারের জলেও ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করছে। শিলিগুড়ি সুভাষপল্লীর ফুলেশ্বরী নদীর ধারে বসবাসকারী দিলীপ বিশ্বাস অভিযোগ করেন, ঐ নদীর জল দূষিত। নদীতে বাজারের সব নোংরা ফেলা হচ্ছে। নদীর জল জমে তামশার আঁতুড়ঘর হয়ে উঠছে। তিনিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ঐ নদীর ধারে বসবাসকারী অনেকেই জ্বরে আক্রান্ত।
