
কার্শিয়ঙে দুটি সরকারি বাস ভাঙচুর
রবিবার দার্জিলিঙে নিহত তিন মোর্চা কর্মীর মৃতদেহ নিয়ে মৌন মিছিল হয়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত এই মিছিল ঘিরে কোনও গোলমালের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এদিন কালিম্পঙের মহকুমা গ্রন্থাগারে আগুন দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাতে মংপুর একটি পুলিস ব্যারাকে আগুন দেওয়া হয়েছে। রবিবার পাহাড়ের সঙ্গে ডুয়ার্সেও বন্ধ ডাকে মোর্চা। শিলিগুড়ি শালবাড়ির কাছে মিছিল ডাকা হয়।
শনিবার মোর্চা নেতা বিনয় তামাং দাবি করেছিলেন, পুলিসের গুলিতে তাদের ৪ জন কর্মী মারা গিয়েছেন। তার মধ্যে শনিবার অনেক রাতে মৃত তিন মোর্চা কর্মীর নাম জানা যায়। ঐ তিনজন হলেন, বিজন বাড়ির বিমল শশাঙ্ক, মণীশ গুরুং ও দার্জিলিঙের সুনীল রাই। চতুর্থ মৃতের নাম ও ঠিকানা আজও জানা যায়নি। তবে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার মৃত তিন মোর্চা কর্মীর দেহ নিয়ে রবিবার মৌনমিছিল বের হয় দার্জিলিঙে। কিন্তু কোনো গোলমাল হয়নি। তবে এদিন দার্জিলিঙে রাস্তার ধারে শিশুদের ক্রিকেট খেলতে দেখা গিয়েছে। মৌনমিছিল হয়েছে সেনা কর্ডন করে। দার্জিলিং ও অন্য এলাকায় কালো পতাকা নিয়ে মিছিল করেন মোর্চা কর্মীরা। ডুয়ার্সে মিছিল হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। সবই শান্তিতে ছিল।
এদিন বিকালে কার্শিয়ঙে দুটি সরকারি বাস ভাঙচুর হয়েছে। সেই বাসের চালক ও খালাসিকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিস পাহারায় বাস দুটি শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিঙে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। শেষে সুকনা ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে বাস দুটি।
