
পাহাড়ের বিভিন্ন কোণের হোম স্টে-গুলোতে আটকে রয়েছেন অনেকে
মোর্চার ডাকা বনধের জেরে এখনও পাহাড়ে আটকে বহু পর্যটক। বৃহস্পতিবার রাত থেকে বেশ কিছু পর্যটক শিলিগুড়িতে নেমে এলেও অনেকেই আটকে পড়েছেন পাহাড়ের বিভিন্ন প্রান্তে। পর্যটকরা যাতে নিরাপদে পাহাড় ছাড়তে পারেন তার জন্য খোদ মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন দার্জিলিং-এ। এদিকে মূল দার্জিলিং শহরের দিকে নজর দেওয়া হলেও পাহাড়ের বিভিন্ন কোণের হোম স্টে-গুলোতে আটকে রয়েছেন অনেকে। রিশপ থেকে শুরু করে কালিম্পং লাগোয়া হোম স্টে-গুলোতে পাঁচশোর বেশি পর্যটক এখনও আটক। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই তাঁরা উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন।
কালিম্পঙের আলগারা থেকে ৯ কিলোমিটার ওপরে ইচ্ছেগাঁও-এর হোম স্টেগুলোয় আটকে পড়েছেন কমপক্ষে তিনশ জন পর্যটক। কলকাতার দমদম থেকে আসা সুব্রত ঘোষ ছাড়া চিরঞ্জিত দাস, শিলিগুড়ির কৌস্তভ দত্ত, রোজলি দত্তরা জানালেন, বনধ থাকায় হোম স্টে থেকে বের হতে পারছেন না আতঙ্কে। শিলিগুড়ি বা কলকাতা কবে ফিরতে পারবেন সেই চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা। হোম স্টে ট্যুরিজমের তরফে বিনিতা খাওয়াস জানান, যেহেতু এখন পর্যটকের মরশুম তাই অতিরিক্ত পর্যটক আসবেন ভেবে কিছু অতিরিক্ত খাবার রাখা হয়েছিল হোম স্টে-গুলোতে। সেগুলো দিয়ে আর একদিনের বেশি চলবে না। ফলে উদ্বেগ বাড়ছে। এই বনধ তাঁরা সমর্থন করছেন না।
এদিকে শিলিগুড়ি এনজেপি স্টেশন থেকে বাগডোগরা বিমানবন্দরে ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের। রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব শুক্রবার এনজেপি স্টেশনে পর্যটকদের সঙ্গে দেখা করেন। রাজ্যের তরফে তাদের সহায়তার কথা জানান তিনি। শিলিগুড়ি আর দার্জিলিঙে পর্যটকদের জন্যও হেল্পলাইন খোলা হয়েছে যার নম্বর ০৩৫৩২৫১১৯৭৪ ও ০৩৫৪২২৫৫৭৪৯।
পর্যটকদের জন্য রাজ্য সরকার অনেকগুলো বাসের ব্যবস্থাও করেছে। অতিরিক্ত বাস রবিবার পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
